স্বামীর চতুর্থ বিয়ের কারণ জানতে চাওয়ায় আঞ্জু আরা বেগম (২৭) নামের এক গৃহবধূকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয়েছে বলে স্বামী মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে আহত আঞ্জু আরা বেগম হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। আঞ্জু আরা জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের উত্তর জাওরানী গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে।জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে আঞ্জু আরার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের নওদাবাস গ্রামের মৃত মহসিন আলীর ছেলে মফিজুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর আঞ্জু আরার একটি মেয়ে সন্তান হয়।আঞ্জু আরার বিয়ের এক বছর পর মফিজুল আবার একটি বিয়ে করে। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা হলে সে ভুল স্বীকার করে সেই নারীকে ডিভোর্স দেয়। এছাড়া মফিজুল কারণে অকারণে আঞ্জু আরাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে কয়েকবার শালিস হয়েছে। এরপর মফিজুল আরেকটি বিয়ে করেন।এদিকে আঞ্জু আরার বাবা আবুল হোসেন জানান, তার জামাই মফিজুল আবার নতুন করে একটি বিয়ে করে বউ বাড়িতে এনেছেন। এ বিষয়ে আমার মেয়ে আঞ্জু আরা জানতে চাইলে মফিজুল তার কোন কথার উত্তর না দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে আঞ্জু আরার মাথা ফেটে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। আঞ্জু আরার বাবা আবুল হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় আঞ্জআরাকে মফিজুলের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা হাসপাতালে ভর্তি করাই। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।হাতীবান্ধা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, কেউ যদি স্ত্রীকে না জানিয়ে আবার বিবাহ করে তাহলে সেটা অপরাধ। এ রকম কোন অভিযোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।রবিউল ইসলাম/এএম/আরআইপি