ভোলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রাথমিক ও ইফতেদায়ির সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ২ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। সেই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বন করায় দুজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ বছর জেলার ১ হাজার ২৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মোট ৩৮ হাজার ১৯১জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এদের মধ্যে ছাত্র ১৫ হাজার ৮৭৩ জন এবং ছাত্রী ২২ হাজার ২৭৮ জন। রোববার অনুষ্ঠিত প্রাথমিকের প্রথম দিনের ইংরেজি পরীক্ষায় ৯১টি কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিল মোট এক হাজার ১ জন। যাদের মধ্যে ছাত্র ৮২৭ জন এবং ছাত্রী ৭৭৪ জন। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোলা সদরে ২৮৬ জন, দৌলতখানে ১৬২ জন, বোরহানউদ্দিনে ১৪৭ জন, লালমোহন উপজেলায় ৩০০ জন, চরফ্যাশন উপজেলায় ৪২৯ জন, তজুমদ্দিন উপজেলায় ১৯৩ জন এবং মনপুরা উপজেলায় ৮৪ জন রয়েছে। এছাড়াও চরফ্যাশন উপজেলায় পরীক্ষায় নকলের দায়ে দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।অপরদিকে এবছর জেলার ৪ শতাধিক মাদরাসা থেকে ইফতেদায়ির মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৭ হাজার ৬৯২ জন। যাদের মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৫৫ জন এবং ছাত্রী ৪ হাজার ৩৩৭ জন। জেলার ৮৪টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ইফতেদায়ি পরীক্ষায় প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিল এক হাজার ৭৪ জন। যাদের মধ্যে ছাত্র ৬৩৫ জন এবং ছাত্রী ৫৩৯ জন। ইফতেদায়িতে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোলা সদরে ২২৫ জন, দৌলতখানে ৭৩ জন, বোরহানউদ্দিনে ২৬৬ জন, লালমোহনে ১৮৪ জন, চরফ্যাশনে ৩৩৮ জন, তজুমদ্দিনে ৫২ এবং মনপুরা উপজেলায় ৩৬ জন রয়েছে।ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ছাইয়াদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নকলমুক্ত প্রাথমিক ও ইফতেদায়ির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও ভিজিলেন্স টিম দায়িত্বে ছিলেন। কোথাও কোর অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরো বলেন, যারা প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুপস্থিত ছিল তারা বাকি পরীক্ষা দিতে পারবে কিন্তু তারা ফেল হিসাবে গণ্য হবে। পরবর্তীতে তাদের সকল বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ২৭ নভেম্বর প্রাথমিক ও ইফতেদায়ির পরীক্ষা সমাপ্ত হবে।ছোটন সাহা/এএম/পিআর