আজ বৃহস্পতিবার থেকে বগুড়ায় প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়েছে। শহরতলীর ঝোপগাড়িতে মহাসড়কের পশ্চিম পাশে প্রায় ৯ একর জমির ওপর এ ইজতেমার প্যান্ডেল তৈরি করা হয়।ইজতেমায় অসংখ্য মুসল্লির আগমন হয়েছে বলে আয়োজকরা দাবি করছেন। বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষে এ ইজতেমার আয়োজন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মশিউর রহমান শাহীন জানান, ঢাকার কাকরাইল মসজিদের মেহমানদের তত্ত্বাবধায়নে প্রথমবারের মতো বগুড়ায় ইজতেমা অনুষ্ঠান হচ্ছে।সবকিছু শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলে আগামী বছর থেকে আরো বড় করে আয়োজন করা হবে। আগামী ২৬ নভেম্বর (শনিবার) দুপুরে জোহরের নামাজের পর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শেষ হবে। এরই মধ্যে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, মরক্কোসহ বিদেশি মেহমানরা বগুড়ায় ইজতেমাস্থলে এসে পৌঁছেছেন।ইজতেমায় লক্ষাধিক মেহমানের থাকার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া বিশাল প্যান্ডেল, দেড় হাজার মুসল্লির একসঙ্গে অজুর ব্যবস্থা, সহস্রাধিক টয়লেট স্থাপন, তিনটি পুকুরে গোসলের ব্যবস্থাসহ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।বগুড়ার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, ইজতেমা ময়দানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বগুড়া ছাড়াও অন্য ৫টি জেলা থেকে পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে বগুড়ায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিদেশি মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।এছাড়া ইজতেমা মাঠে পুলিশ, র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার পাশপাশি তাবলীগ জামায়াতের নিজস্ব সদস্যরাও পাহারার দায়িত্ব পালন করছেন। ইজতেমাস্থল মহাসড়ক সংলগ্ন হওয়ায় যানবাহন চলাচল সীমিত করে বিকল্প পথ ব্যবহার করা হচ্ছে।লিমন বাসার/এএম