প্রকৃতিতে শীতের হাতছানি। সমুদ্র উপকূলীয় ও পাহাড় ঘেরা এলাকায় বিকেল থেকে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। প্রকৃতির এ শীতল পরিবেশে কক্সবাজার জেলাজুড়ে বাড়ছে অতিথি পাখির আগমন। শহরতলির দরিয়ানগর, মহেশখালীর সোনাদিয়া ও টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপে দেখা মিলছে অতিথি পাখির। সকাল ও সন্ধ্যায় অতিথির পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠছে জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ কক্সবাজার উপকূল।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরতলির দরিয়ানগর সমুদ্র সৈকতে দেখা যাচ্ছে অতিথি পাখির দল। মহেশখালীর সোনাদিয়া ও টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপেও দেখা মিলছে অতিথি পাখির। ভ্রমণপিপাসুরা অতিথি পাখি দেখতে ভিড় করছেন এসব এলাকায়। দরিয়ানগরে গত প্রায় তিন থেকে চার দিন ধরে দেখা যাচ্ছে অতিথি পাখির দল। দরিয়ানগরের ফানফেস্ট একটিভিটিজ (প্যারাসেইলিং)-এর ম্যানেজার নুর মোহাম্মদ জানান, গত কয়েক দিন ধরে দরিয়ানগর সৈকতে অতিথির পাখিরা ভিড় করছে। একসঙ্গে চলা এসব পাখি দেখতে দরিয়ানগর সৈকতে ভিড় করেন প্রকৃতিপ্রেমীরাও। সেন্টমার্টিনেও একই অবস্থা বলে জানান দ্বীপের বাসিন্দা ও সেন্টমার্টিন হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মুজিবুর রহমান। কক্সবাজার ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের (টোয়াক) সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, পর্যটকেরা অতিথি পাখি দেখতে বেশ উৎসুক। বিশেষ করে প্রকৃতিপ্রেমীরা। গত কয়েক দিন ধরে দরিয়ানগর, সোনাদিয়া ও সেন্টমার্টিনে যাওয়া পর্যটকেরা পাখির কলকাকলি উপভোগ করে তৃপ্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছে।কক্সবাজার সদরের উপকূলীয় পোকখালীর গোমাতলী ঘের মালিক মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও ইয়াছিন উল্লাহ জানান, প্রতি বছরই শীত মৌসুমে উপকূলজুড়ে অতিথি পাখির ঝাঁক আসে। নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টির পর থেকে এলাকায় শীতের আমেজ বাড়ার পাশাপাশি সাগরতীরে ও ঘেরে অতিথি পাখি নামছে। কক্সবাজারের দরিয়ানগর, মহেশখালীর সোনাদিয়া ও টেকনাফের সেন্টমার্টিনে অতিথি পাখি আসার কথা নিশ্চিত করে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সর্দার শরীফুল ইসলাম বলেন, আমাদের টিমের সদস্যরা পাখি আসার খবর দিয়েছে। তবে, কী কী পাখি আসছে- তা দেখতে খুব শিগগিরিই এসব এলাকায় যাবে পরিবেশ অধিদফতরের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ দল। আরএআর/এনএইচ/এমএস