দেশজুড়ে

কৃষি বাগানে ছাদের কোনো ক্ষতি হয় না

অনেকেই মনে করেন ছাদে গাছ লাগালে ছাদ নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু আলেয়া সাইদের ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা বলছে এই ধারণা ভুল। ১৯৮৫ সালে মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে যোগদান করেন আলেয়া সাইদ। তখন থেকেই স্কুলে বাগান করা শুরু করেন তিনি। ২০০০ সালে অবসরে যাওয়ার পর সময় কাটানোর জন্য বাসার ছাদে ফুল-ফল, শাকসবজির বাগানের কাজ শুরু করেন পটুয়াখালীর লেক রোড এলাকার বাসিন্দা আলেয়া সাইদ। তার নিজ বাসভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদটিতে উঠলেই দেখা যায় কেবল গাছ আর গাছ। টব এবং ড্রামে লাগানো পঞ্চাশ ধরনের প্রায় দুইশ গাছ আছে তার বাগানে। পনেরো বছর ধরে তিনি এই বাগান গড়ে তুলেছেন।তিনি বলেন, আমি ১৫-১৬ বছর ধরে বাগান করছি কোনো সমস্যায় পড়িনি। একটু পরিষ্কার ও জায়গা পরিবর্তন করে দিলেই হয়।তার বাগানে লেবু, পেয়ারা, পেঁপে, বিলিম্বি, জামরুল, কুল, আম, মরিচ, বেগুন, টমেটো ও করল্লা আছে। এছাড়া গাঁদা, জিনিয়া, ডালিয়া, অ্যাস্টার, রঙ্গন ও লিলি ইত্যাদি ফুল রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন ঔষধিগাছ যেমন পুদিনা, চিরতা ও বেল ছাদে চাষ করেন তিনি।আলেয়া সাইদ বলেন, যারা ছাদে বাগান করতে ইচ্ছুক চাষের জন্য বড় বড় টব বা বিভিন্ন আকার-আকৃতির কন্টেইনার বা ড্রাম ব্যবহার করা যেতে পারে। কনটেইনার হিসেবে গৃহস্থালির বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ব্যবহার করলে একটু নতুনত্ব বা নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠে। যেমন ঘরের ভাঙা টেবিলের ড্রয়ার, বড় বিস্কিটের টিন, দৈয়ের হাড়ি এমনকি কোকা কোলা বা সয়াবিন তেলের বোতলও বিভিন্ন ভাবে কেটে পছন্দমত কনটেইনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। প্রয়োজনে রুচি অনুসারে রং করে নিতে পারেন। তবে বর্তমানে পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন নার্সারিতে ও কুমার পল্লিতে সুন্দর টব পাওয়া যায়।মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এফএ/পিআর