নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার রঘুনাথপুর এলাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে অটোরিকশাচালক আবু তাহের হত্যার দায় স্বীকার করে সেলিম ও হালিম নামে দুই ছিনতাইকারী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা বলেছেন, আবু তাহেরের মাথায় সেলিম ছুরিকাঘাতের পর অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেয় হালিম। পরে অটোরিকশাটি সিদ্ধিরগঞ্জের কোনাপাড়া এলাকায় সোবহানের কাছে বিক্রি করে দেন। পুলিশ ওই অটোরিকশাসহ সোবহানকে গ্রেফতারের পর ঘটনাস্থলের পাশের একটি ডোবা থেকে সেই ছুরিটি উদ্ধার করে।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের এসআই মশিউর রহমান এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রোববার হালিম ও সোমবার সেলিম আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এদের মধ্যে সোমবার বিকেলে সেলিমের জবানবন্দি গ্রহন করেছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান। আদালত তাদের জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সেলিম মিয়া ফতুল্লার দেলপাড়া এলাকার লাল মিয়ার ছেলে আর হালিম মিয়া সিদ্ধিরগঞ্জ কোনাপাড়া এলাকার মৃত. কুদ্দুস মিয়ার ছেলে। এদের মধ্যে সম্প্রতি একটি ছিনতাই মামলায় ১০ বছরের সাজা খেটে সেলিম জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তারা দু’জন পেশাদার ছিনতাইকারী। প্রসঙ্গত, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি থানার কতুবপুর গ্রামের মৃত. জয়নাল আবেদীনের ছেলে আবু তাহেরকে (৫৫) গত ৪ ডিসেম্বর ভোরে দুর্বৃত্তরা লিংক রোডে মাথায় ছুরিকাঘাত করে হত্যার পর তার অটোরিকশা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ৮ দিনের মাথায় এর রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ। মো. শাহাদাত হোসেন/এএম