কয়েকদিন পরই জেলা পরিষদ নির্বাচন। তাই দিনরাত চলছে পটুয়াখালীর ছাপাখানায় পোস্টার, ব্যানার ও ব্যাজ তৈরির কাজ। প্রেসগুলো থেকে বের হচ্ছে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য পদ প্রার্থীদের পোস্টার ও লিফলেট। ঘুম নেই ছাপাখানার কর্মীদের। মালিক-কর্মী সবার উপার্জন ভালো বললেই চলে। সরিজমিনে দেখা যায়, প্রেসগুলোতে বিরামহীনভাবে চলছে পোস্টার ছাপানোর কাজ। প্রেস শ্রমিকদের যেন দম ফেলার সময় নেই। প্রেস মালিকরা নির্বাচনী প্রস্তুতি হিসেবে আগে কয়েক হাজারেরও বেশি রিম ছাপানোর কাগজ মজুদ করে রেখেছেন। পাশাপাশি চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত সদস্য ও সাধারণ সদস্য প্রার্থীরাও পোস্টার-লিফলেটের ফরমেট করে রাখেন আগে থেকে। প্রতীক পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু করে দিয়েছেন ছাপানোর কাজ। লেমিনেটিং ছাড়া প্রতিটি পোস্টার ৩ টাকা ৫০ পয়সা, নরমাল পেপার ৩ টাকা ২০ পয়সা, লিফলেট ১টাকা ১০ পয়সা, নরমাল ৮০ পয়সা, আর ব্যাজ ১ টাকা ২৫ পয়সা, নরমাল ১ টাকা ১০ পয়সা দরে ছাপানোর কাজ নিচ্ছেন শহরের বিভিন্ন প্রেস মালিকরা।শহরের মা ডিজিটাল প্রিন্ট ও প্রিন্টিং প্রেস পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম রিমন জানান, প্রতীক পাওয়ার পরপর ১ লাখ পোস্টারের অর্ডার পেয়েছি। ইতোমধ্যে অনেকগুলো ছাপা হয়েছে। প্রেসে কর্মচারীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কষ্ট বেশি হলেও কাজ করি। নির্বাচনী এ মাসটায় অতিরিক্ত অর্থ আয়ের সুযোগ থাকে। তারা পালা করে অতিরিক্ত কাজ করছেন। বিনিময়ে তাদের অতিরিক্ত অর্থও দেয়া হবে।এদিকে পোস্টার-লিফলেট ছাপার কাজ পুরোপুরি রীতি মেনেই চলছে বলে জানান জেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার নাজমুল কবীর।পটুয়াখালীতে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩, সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ৪৪ ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এএম/এমএস