পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. আল-নকীব চৌধুরীর উপর হামলা চেষ্টার চারদিন অতিবাহিত হলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এর রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। হামলা চেষ্টার প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবনা-ঢাকা মহাসড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন। সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. আব্দুল আলীমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন প্রো- ভিসি প্রফেসর ড. আনোয়ারুল ইসলাম, প্রক্টর ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি আওয়াল কবির জয়, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন মো. সাইফুল ইসলাম, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন মো. কামরুজ্জামান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন রাশেদ কবির, বঙ্গবন্ধু পরিষদ শিক্ষক ইউনিটের আহবায়ক ড. মো. হাবিবুল্লাহ,শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কিসলু নোমান ও যুগ্ম সম্পাদক তাসনিম নাহার মিতু, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম, অফিসার্র্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামসাদ ফখরুল, সহ-সভাপতি জহুরুল ইসলাম প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কর্মকর্তা ইউনিটের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম,কর্মচারী সমিতির সভাপতি জামসেদ পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীমসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও দফতর প্রধানরা। এছাড়া মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন পাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি শাহেদ সাদেকী শান্ত ও সাধারণ সম্পাদক ওলিউল্লাহ, ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি শাহরিয়ার জিম। পাবিপ্রবির প্রক্টর আওয়াল কবির জয় জানান, গত শুক্রবার বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আল-নকীব চৌধুরী ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তিনি বেলা তিনটার দিকে ঢাকা-বনপাড়া সড়কের টোল প্লাজার কাছে পৌঁছলে তিনটি মাইক্রোবাসে করে ১৭/১৮ যুবক ভিসির গাড়ি অনুসরণ করে এরপর সলঙ্গার কাছে গিয়ে গাড়ির গতি রোধ করে তাকে অপহরণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা ভিসির উপর হামলার চেষ্টা করে । চালকের বিচক্ষণতা এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি রক্ষা পান। পরে তিনি নাটোর এবং সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের সহযোগিতায় ঢাকার পথে যাত্রা করেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বাদী হয়ে নাটোরের গুরুদাসপুর থানায় একটি মামলা করেন। তিনি আরও জানান, হামলা চেষ্টায় যে তিনটি গাড়ি ছিল এর একটির নম্বর পুলিশকে দেয়া হয়ছে। কিন্ত এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি নেই। দ্রুত জড়িতদের সনাক্ত এবং বিচারের আওতায় আনা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসুচি দেয়া হবে বলেও জানান আওয়াল কবির জয়। একে জামান/আরএআর/পিআর