দেশজুড়ে

গাইবান্ধায় সড়কঘেঁষে ২ শতাধিক করাতকল

গাইবান্ধা জেলা শহরের বিভিন্ন ব্যস্ততম সড়কঘেঁষে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক করাতকলের কারণে জনসাধারণের ভোগান্তি বাড়ছে। অথচ এসব করাতকল উচ্ছেদে কোনো উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাইবান্ধার সাত উপজেলার বিভিন্ন সড়কঘেঁষে দুই শতাধিক করাতকল রয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধা-সাদুল্যাপুর সড়কের খানকা শরিফ, সাহারবাজার, গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের বাঁধের মাথা, চাপাদহ, কুপতলা, লক্ষ্মীপুর, গাইবান্ধা-পলাশবাড়ি সড়কের তুলশীঘাট, গাইবান্ধা-সাঘাটা সড়কের ত্রিমোহিনী, বাদিয়াখালী ও বোনারপাড়া, এলাকায় করাতকলের সংখ্যা বেশি। এছাড়া জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ওপরও এসব কল বসানো হয়েছে। অথচ ফাঁকা ও জনশূণ্য এলাকায় করাতকল বসানোর নিয়ম। একশ্রেণির কাঠ ব্যবসায়ী প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এসব করাতকল গড়ে তুলেছেন। বিশেষ করে জেলা শহরের সাদুল্যাপুর রোড, ব্রিজ রোড, ফলিয়া রোড ও গোডাউন রোডে করাতকলের ব্যবসা এখন জমজমাট। এসব সড়কের উভয় পাশ ঘেঁষে কলগুলো গড়ে ওঠায় নানাবিধ সমস্যা দেখা দিয়েছে। চক্ষু বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এসব করাতকলের বালুর কণা জাতীয় গুঁড়া চোখের রেটিনার মারাত্মক ক্ষতি করে। ফলে অকালে চোখ নষ্ট হতে পারে।  গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র অ্যাড. শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন বলেন, করাতকলের বিষয়টি তিনি অবগত। বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল মমিন খান বলেন, বন বিভাগের কাছে অবৈধ করাতকলের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়া গেলে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেয়া হবে।    জিল্লুর রহমান পলাশ/এফএ/পিআর