মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহাদত খন্দকারের মোবাইল নম্বর ক্লোন করে চাঁদাবাজির চেষ্টা করা হয়েছে। টিআর/কাবিটার বিশেষ বরাদ্ধ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে তার নম্বর থেকে চেয়ারম্যানদের কাছে টাকা দাবি করেছিলো প্রতারক চক্রটি। বিষয়টি জানতে পেরে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ফরহাদ জাগো নিউজকে জানান, সোমবার বিকেল ৩টার দিকে তার মোবাইল ফোনে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নম্বর থেকে একটি ফোন আসে। স্যার বলে সম্মোধন করার পর অপরপ্রান্ত থেকে মৃদ্যু স্বরে জানানো হয়, তিনি ডিসি স্যারের সঙ্গে মিটিংয়ে রয়েছেন। টিআর/ কাবিখার বরাদ্ধ এসেছে। বিশেষ বরাদ্ধ নিবো কিনা। রাজি থাকলে টন প্রতি ১ হাজার টাকা করে দিতে হবে। চেয়ারম্যান রাজি হলে ০১৮৩১৭০৭১৯২ নম্বর থেকে ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে জানানো হয় এটা তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর। তাকে দুটি বিকাশ নম্বর দিয়ে দ্রুত টাকা পাঠাতে বলা হয়। নম্বর দুটি হলো ০১৭৪০০৮৬৫৭ এবং ০১৭৩৮৪১২২৩৩।কথামতো চেয়ারম্যান ৫০ হাজার টাকা বিকাশ করার জন্য প্রস্ততি নেন। টাকা পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য ইউএনওকে ফোন করলে তার কাছে জানতে পারেন এটি প্রতারক চক্রের কাজ। এভাবে অল্পের জন্য প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পান চেয়ারম্যান।সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদত খন্দকার জাগো নিউজকে জানান, তার ফোন নম্বর ক্লোন করে একটি প্রতারক চক্র চেয়ারম্যানদের কাছে টাকা দাবি করে। বিষয়টি তিনি চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে জানার পর মানিকগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।তার ধারণা, চক্রের কেউ তার আশপাশেই ছিলো। তা নয়তো ফোন করার সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মিটিংয়ে থাকার বিষয়টি মিললো কীভাবে।বি.এম খোরশেদ/এমএএস/আরআইপি