জেলা পরিষদ নির্বাচনে নীলফামারীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য প্রার্থী বিএনপি নেতা হোসেন সহীদ সোহারাওয়ার্দি ওরফে গ্রেনেড বাবু পরাজিত হয়ে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে পেটালেন। এ ঘটনাায় ওই বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৮ ডিসেম্বর বুধবার জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে ৬ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি কমিটির নির্বাহী সদস্য হোসেন সহীদ সোহারাওয়ার্দি ওরফে গ্রেনেডে বাবু ছিলেন। তার প্রতীক ছিল তালা।ভোটের ফলাফলে ২৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন হাতি প্রতীকের ফারুক হোসেন। আর ১৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হন এ বিএনপি নেতা।কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হোসেন শিহাব জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলা পরিষদের হল রুমে ইউপি চেয়ারম্যানদের নিয়ে এলজিএসপি-২ প্রকল্প নিয়ে সভা হচ্ছিল।জোহরের নামাজের সময় তিনিসহ অন্যান্য ইউপি চেয়ারম্যানগন উপজেলা মসজিদে নামাজ আদায় করতে যান। নামাজ শেষে মসজিদ হতে বের হবার সময় মসজিদের সামনে তার ওপর অর্তকিতভাবে হামলা চালিয়ে মারপিট করেন বিএনপি নেতা হোসেন সহীদ সোহারাওয়ার্দি। এ সময় তার সঙ্গে ১২-১৪ জন সন্ত্রাসী বাহিনী ছিল।মাগুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হোসেন শিহাব অভিযোগ করে বলেন, তাকে ভোট না দেয়ার অভিযোগ তুলে এ পরাজিত প্রার্থী এ ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেন। এদিকে বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিশোরগঞ্জ বাজারের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুকিয়ে থাকা বিএনপি নেতা হোসেন সহীদ সোহারাওয়ার্দি ওরফে গ্রেনেড বাবুকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজুলুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনার মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।জাহেদুল ইসলাম/এএম/পিআর