কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে এক সদস্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় ভোটারদের কাছ থেকে তিনি টাকা ফেরত নিচ্ছেন বলে স্বীকারও করেছেন।জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাগেশ্বরী উপজেলায় ভিতরবন্দ, হাসনাবাদ, নেওয়াশী, রামখানা ও সন্তোষপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জেলা পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য পদে চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে ভিতরবন্দ ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম নির্বাচনের দুইদিন আগে চাচাতো ভাই আবদুল বাতেনের বাড়িতে ইউনিয়নের ১২জন ইউপি সদস্যকে দাওয়াত করে খাওয়ান এবং পরে দুই কিস্তিতে প্রতিজনকে ২০ হাজার করে টাকা দেন। ফলাফল ঘোষণার পর জানা যায়, আমিনুল ইসলাম একটি ভোট পেয়েছেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) গিয়ে ভোটারদের কাছে টাকা ফেরত চান। ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম খন্দকারের উপস্থিতিতেই আট ইউপি সদস্য টাকা ফেরত দেন। বাকি চারজন একই দিন সন্ধ্যার মধ্যে টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।ইউপি সদস্যদের টাকা নেয়ার বিষয়টি ভিতরবন্দ ইউপির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম খন্দকারও নিশ্চিত করেছেন।এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য নুর ইসলাম, ইউনুছ আলী, মাইনউদ্দিন, মুকুল মিয়া, রুহুল আমিন, হাবিবুল ইসলাম, ফেরদৌস আলম ও জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তাঁরা বলেন, পরাজিত ওই সদস্য প্রার্থীর কাছ থেকে তারা চেয়ে টাকা নেননি। তিনি দিয়েছেন বলেই নিয়েছেন। কিন্তু প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় তাকে ভোট দেননি। এখন তিনি টাকা ফেরত চেয়েছেন বলে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।এ ব্যাপারে পরাজিত প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বলেন, ভোট দিতে চেয়ে টাকা নিয়েছিল। ভোট দেয় নাই, তাই টাকা ফেরত নিচ্ছি।এআরএ/এমএস