শরীয়তপুরে বড় স্ত্রীকে ডিভোর্স দেয়ায় ছোট স্ত্রীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকেলে শরীয়তপুর সদর পৌরসভার চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্র জানায়, সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নের নড়বালাখানা গ্রামের নুরুল আমিনকে ২০০৩ সালে শৌলপাড়া ইউনিয়নের চর চিকন্দি গ্রামের নূর মোহাম্মদ মোল্লার মেয়ে আসমা বেগমকে (৩০) বিয়ে করেন। ২০১৩ সালে আসমা বেগম স্বামী নুরুল আমিনকে না জানিয়ে দুই সন্তান রেখে দুবাই চলে যান। স্বামীর খবর না নেয়ায় নুরুল আমিন স্ত্রী আসমা বেগমকে ডিভোর্স দিয়ে পুনরায় গত মার্চ মাসে মনি মালাকে (২৪) বিয়ে করেন। গত ১৫ নভেম্বর ডিভোর্স দেয়া প্রথম স্ত্রী আসমা বেগম দুবাই থেকে দেশে ফেরেন। এরপর আসমা বেগম গত ১৬ নভেম্বর শরীয়তপুর আদালতে নুরুল আমিন সাকিদারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় নুরুল আমিন সাকিদারের ওয়ারেন্ট হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান। একদিন জেল খাটার পর জামিনে মুক্তি পান নুরুল আমিন।রোববার আদালতে নুরুল আমিনের হাজিরার দিন ধার্য ছিল। হাজিরা দিয়ে আদালত থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি ও স্ত্রী মনি মালা এবং মনি মালার বোন ফিরোজা বেগম। শরীয়তপুর সদর পৌরসভার চৌরঙ্গী মোড়ে পৌঁছালে প্রথম স্ত্রী আসমা বেগম, তার ভাই ইসমাইল মোল্লা ও লিটন মোল্লা তাদের মারধর করে। এতে মনি মালা ও ফিরোজা বেগম গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ফিরোজা বেগমের স্বামী আব্দুল হাই মুন্সী পালং মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেন। পালং মডেল থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আহত ফিরোজা বেগমের স্বামী আব্দুল হাই মুন্সী বাদী হয়ে আসমা বেগম, ইসমাইল মোল্লা ও লিটন মেল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। মো. ছগির হোসেন/এএম/জেআইএম