দেশজুড়ে

মঙ্গলবার কারামুক্ত হচ্ছেন রসরাজ

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ (২) ধারার মামলায় জামিন পেলেও সোমবার কারাগার থেকে মুক্ত হতে পারেননি আলোচিত রসরাজ দাস। এদিন নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে না পৌঁছায় কারাগার থেকে তার মুক্তি মেলেনি। তবে মঙ্গলবার সকালে রসরাজ কারামুক্ত হতে পারেন বলে জানা গেছে।জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. নূরুন্নবী ভূইয়া জাগো নিউজকে জানান, নির্ধারিত সময়ে আদালত থেকে জামিনের কাগজ এসে না পৌঁছায় রসরাজের মুক্তি মেলেনি। মঙ্গলবার কাগজ এসে পৌঁছালে কারাগার থেকে মুক্ত হতে পারেন রসরাজ।রসরাজ দাসের আইনজীবী অ্যাড. নাসির মিয়া জাগো নিউজকে জানান, মঙ্গলবার সকালের মধ্যেই কারা কর্তৃপক্ষের কাছে রসরাজের জামিনের কাগজ পৌঁছে যাবে। এরপর কারাগারের আনুষাঙ্গিক কাজ শেষে মুক্ত হবেন রাসরাজ দাস।এদিকে, রসরাজকে বাড়ি নিয়ে যেতে সোমবার বিকেলে জেলা কারাগারের সামনে অপেক্ষা করছিলেন রসরাজের মামা ইন্দ্রজিৎ দাস, ভাই দয়াময় দাস ও ভগ্নিপতি নেপাল চন্দ্র দাস। তবে এদিন রসরাজের মুক্তি না মিললেও রসরাজের জামিন হওয়ায় খুশি তার স্বজনরা।এর আগে সোমবার সকালে রসরাজ দাসকে জামিন শুনানির জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে শুনানি শেষে বেলা ১১টার দিকে বিচারক মো. ইসমাঈল হোসেন পুলিশের পরবর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করা পর্যন্ত রসরাজের জামিন মঞ্জুর করেন।প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩০ অক্টোবর ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর ছবি পোস্টের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় গ্রেফতার হন নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হড়িণবেড় গ্রামের জগন্নাথ দাসের ছেলে রসরাজ দাস (৩০)।পরে ৮ নভেম্বর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে রসরাজের জামিনের শুনানি হয়। তবে ওই সময় আদালত রসরাজের জামিন নামঞ্জুর করেন।এরপর ২ ডিসেম্বর জামিন আবেদনের পর জেলা ও দায়রা জজ আদালত শুনানি শেষে ৩ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। ওই দিন আদালত রসরাজের উপস্থিতিতে জামিন শুনানির জন্য ১৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন।আজিজুল সঞ্চয়/এআরএ/জেআইএম