ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের বাবুলচরা গ্রামের ১০৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা কোমেলা বেগম। শীতে কাতর এই অসহায় মানুষটির পাশে দাঁড়ানোর লোকের অভাব সমাজে। বুধবার দুপুরে যখন এ প্রতিবেদক কোমেলা বেগমের বাড়িতে যান তখন একটি ঘরের দরজার সামনে চুপচাপ বসে বাইরে তাকিয়ে ছিলেন তিনি। হয়তবা স্মৃতিতে ভেসে উঠছে অনেক কিছু, সেসবই হয়ত তিনি রোমন্থন করছেন। শীত পড়ছে, কিন্তু তার গায়ে দেয়ার মত তেমন কিছু নেই। নাত-বৌ আরজিনা খাতুন শেষ বয়সের এই মানুষটিকে দেখাশুনা করেন। আরজিনা খাতুনের স্বামী ক্ষেতমজুর। কোনো রকমে সংসার চলে তাদের। ১০৫ বছর বয়সী কোমেলা বেগম সরকারি কোনো সহযোগিতা না পেলেও তার মেজ ছেলে আবুল কালাম (৭০) বয়স্ক ভাতার একটি কার্ড পেয়েছেন। কোমেলা বেগমের ৩ ছেলে ৪ মেয়ের মধ্যে ৩ মেয়ে মারা গেছেন। এই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য একটি মামলায় জেলে থাকায় কোমেলা বেগমের বয়স্ক ভাতার কার্ড পাওয়ার ব্যাপারে কেউ তেমন কিছু বলতে পারেননি। তবে এ বিষয়ে ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা আকাল সরদার ও সাদেক বিশ্বাসের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তারা বয়স্ক ভাতার তালিকা প্রণয়নের অনিয়মে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এবার সুযোগ পেলে কোমেলা বেগমের নাম অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করবেন বলেও আশ্বাস দেন তারা। এফএ/পিআর