ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ফমেক) স্ত্রী লাবনী আক্তারের (৩০) মরদেহ রেখে পালিয়েছে ঘাতক স্বামী সাজ্জাদ হোসেন। বুধবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে।ফমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যায় মৃত্যু অবস্থায় স্ত্রী লাবনী আক্তারকে হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বামী সাজ্জাদ হোসেন। এরপর আমরা মৃত্যু ঘোষণার পর স্বামী পরিচয় দানকারী যুবক ও এক নারী মরদেহ ফেলে সটকে পড়েন। নিহত লাবনীর পেটে ছুরি কিংবা ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অস্ত্রের আঘাতে তার নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে গেছে। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।সাজ্জাদ পেশায় অটো রিকশাচালক ও শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার আকবর হোসেন ওরফে আকবর কসাইর ছেলে। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। নিহত লাবনীর মামি আফরোজা বেগম জানান, সাজ্জাদ বিয়ের পর থেকেই লাবনীকে নির্যাতন করতো। ইদানিং দ্বিতীয় বিয়ের জন্য লাবনীর অনুমতির জন্য তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গিয়েছিল। সাজ্জাদ বলতো বিয়ের অনুমতি না দিলে তোর বাবার বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আয়। কয়েকবার টাকা দেয়া হলেও কোনো পরিবর্তন হয়নি সাজ্জাদের। কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন আহমেদ জানান, খবর পেয়েই পুলিশের একাধিক টিম ঘাতক স্বামীকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এস.এম. তরুন/এআরএ/এমএস