দেশের খাদ্যগুদামের ধারণক্ষমতা ২০২৫ সালের মধ্যে ২৭ লাখ মেট্রিক টন করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম।মঙ্গলবার মুন্সিগঞ্জে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১ কোটি ৪১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সদরের কাটাখালি বাজারে নির্মিত ভবনটি মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় খাদ্যনিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের কৃষকের বন্ধু হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। ১৯৯৬ সালে ৪০ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি নিয়ে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে। ২০০১ সালে এ বিশাল অংকের খাদ্যঘাটতি আমরা পূরণ করে গেলেও বিএনপি, জামায়াত ক্ষমতায় আসলে আবার খাদ্যঘাটতি দেখা দেয়। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ টাকা কেজি দরে প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে ৫০ লক্ষ পরিবারকে টানা ৫ মাস চাল দিচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটি মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে। এছাড়া দেশের খাদ্য গুদামের ধারণ ক্ষমতা ২০২৫ সালের মধ্যে ২৭ লক্ষ মেট্রিক টন করা হবে। মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস, খাদ্য সচিব মো. কায়কোবাদ হোসেন, খাদ্য অধিদফতরের পরিচালক বদরুল হাসান প্রমুখ।ভবতোষ চৌধুরী নুপুর/এএম/আরআইপি