দীর্ঘ তিন বছর পর এক শিশুসহ ১৭ বাংলাদেশি তরুণীকে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাদেরকে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরত আনা হয়।ফেরত আসা তরুণীরা হলেন বিউট (২০), রুবি আক্তার (২৫), সোহাগী (২৪), বিথী আক্তার (২০), সুলতানা রাজিয়া (২০), নন্দিনী আক্তার মুক্তি (২৩), শারমিন আক্তার লীমা (২৫), ঝরনা আক্তার (১৮), পারভিন (২৪), তাজলিমা খাতুন শিল্পী (২১), লাকি বেগম (২৬), রিতা খাতুন (১৯), ইয়াসমিন (১৭), পারভিন আক্তার (২৩), পরী (১৮), পপি (২৩), মনিকা নিপা (২৫) ও নাজনিন (৫)। এদের বাড়ি নড়াইল, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, যশোর, পটুয়াখালী, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায়।বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, অভাব-অনটনের সংসারে ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে এরা দালালদের মাধ্যমে সীমান্তের অবৈধ পথে ভারতে যায়। এরপর তারা বাসাবাড়িসহ বিভিন্ন কারখানায় কাজ করার সময় সে দেশের পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।আদালতের মাধ্যমে ভারতের মুম্বাই শহরের ‘নবজীবন’ ও ‘দেওয়ানা’ শেল্টার হোম এবং হায়দারাবাদ উজালা প্রকল্পপুর শেল্টার হোমে তারা ২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত থাকে। দু‘দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি চালাচালির পর তাদের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরত পাঠায়।তিনি আরও জানান, ফেরত আসা বাংলাদেশি তরুণীদের বেনাপোল পোর্ট থানায় দেয়া হয়েছে। কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের রাইটস যশোর ও বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির কাছে হস্তান্তর করা হবে।রাইটস যশোরের প্রোগ্রাম অফিসার আজহার জানান, দু’দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেয়া ‘বিশেষ ট্রাভেল পারমিট’ আইনের মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরত পাঠায় ভারত। ফেরত আসা তরুণীদের যশোর নিয়ে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফেরত দেয়া হবে।মো. জামাল হোসেন/বিএ