দেশজুড়ে

এসএসসি পরীক্ষা : যশোরে একটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র সরবরাহে বিভ্রাট

যশোর মিউনিসিপ্যাল প্রিপারেটরি স্কুল কেন্দ্রে এসএসসির বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র সরবরাহে বিভ্রাট হয়েছে। প্রথমে এমসিকিউ প্রশ্নপত্র সরবরাহের নির্দেশনা থাকলেও সৃজনশীলের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। ১০-১৫ মিনিট পর আবার প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে দেওয়া হয়।তবে এজন্য বাড়তি সময় দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ে শিক্ষার্থীরা। ওই পরীক্ষা কেন্দ্রে ৭৪১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। অভিভাবকরা জানান, যশোর মিউনিসিপ্যাল প্রিপাটরি বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাংলা প্রথম পত্রে পরীক্ষা গ্রহণে বোর্ড নির্দেশনা মানা হয়নি। প্রথমে এমসিকিউ প্রশ্ন তারপর সৃজনশীলের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করার নির্দেশনা থাকলেও এই কেন্দ্রে উল্টো ঘটেছে। পরীক্ষার্থীদের প্রথমে সৃজনশীলের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। ১০-১৫ মিনিট পর সৃজনশীলের প্রশ্নপত্র রেখে আবার এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। এমসিকিউ প্রশ্নপত্রের জন্য ৩০ মিনিট সময় নির্ধারিত ছিল। এরপর আবার সৃজনশীল প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র সরবরাহ বিভ্রাটে শিক্ষার্থীদের ১০-১৫মিনিট সময় নষ্ট হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের বাড়তি সময় দেওয়া হয়নি। এজন্য ৮ নম্বর মানের প্রশ্নের উত্তর লিখতে সময় পাওয়া যায়নি। প্রথমদিনেই তাদের পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। জানতে চাইলে কেন্দ্র সচিব ও ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস সবুর বলেন, বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রথমে এমসিকিউ ও পরে সৃজনশীলের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করার কথা। সেইভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করেছি। কিন্তু একটি মাত্র কক্ষে একটু সমস্যা হয়েছে। ওই কক্ষে ছিলেন বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাহজাহান আলী। তিনি প্রথমে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতে বলেছিলেন পরিদর্শকদের। কিন্তু ভুল বুঝতে পেরে প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। এজন্য পরীক্ষার্থীদের বাড়তি সময় দেওয়া হয়েছে।যশোর শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাহজাহান আলী বলেন, আমারা আটজনের টিম যখন ওই কেন্দ্রে গিয়েছি তখন এমসিকিউ প্রশ্নের পরীক্ষা শেষের দিকে ছিল। ফলে প্রথমে সৃজনশীল প্রশ্ন সরবাহের নির্দেশ দিয়েছি এমন অভিযোগ সঠিক নয়। যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মধাব চন্দ্র রুদ্র  জানিয়েছেন, অভিভাবকেরা অভিযোগ দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মিলন রহমান/এফএ/পিআর