দেশজুড়ে

টাঙ্গাইলের মিষ্টি বলে কথা!

মিষ্টির দাম কম না রাখায় দোকানিকে মারধর করা হয়েছে বলে ট্রাফিক সার্জেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে বন্যা মিষ্টান্ন ভান্ডারে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, দোকানিকে মারধরের প্রতিবাদে স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ীরা টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে প্রায় আধাঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে।বন্যা মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক গোপীনাথ ঘোষ গোপী বলেন, টাঙ্গাইল ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট কাউছারসহ কয়েকজন পুলিশ আমার দোকানে মিষ্টি কিনতে আসেন। মিষ্টির দাম কম না রাখায় কাউছার স্যার ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। আমি এর প্রতিবাদ জানালে তিনি আমাকে ক্যাশের চেয়ার থেকে টেনে নিচে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে আমার হাতের আঙুল কেটে গেছে।দোকানের কর্মচারী সুমন বলেন, আমার মালিককে পুলিশের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেছে। মালিকের চিৎকারে আশেপাশের দোকানদাররা এগিয়ে আসলে পুলিশ দোকান থেকে চলে যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সার্জেন্ট কাউছার মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।এদিকে, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের দীর্ঘ দিনের প্রতিষ্ঠিত মিষ্টি ব্যবসায়ী গোপীনাথ ঘোষকে মারধরের ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে তাৎক্ষণিকভাবে রাস্তায় নেমে আসে। তারা প্রায় আধঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে দোষী সার্জেন্টের বিচার দাবি করেন।সড়ক অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ে। খবর পেয়ে কালিহাতী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার (এসপি) মাহবুব আলম বলেন, মিষ্টি কিনতে গিয়ে সার্জেন্ট কাউছার ও দোকানদারের সাথে দামাদামির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনার কথা শুনেছি। বিষয়টি পরে সমাধান হয়েছে বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, অভিযুক্ত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট কাউছারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় দোকানদার ও পরিবহন চালক-কর্মচারীদের সাথে অসৎ আচরণ করার অভিযোগ রয়েছে। আরিফ উর রহমান টগর/এএম/এমএস