দেশজুড়ে

চেয়ারম্যান-মেম্বার ও গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে চলাচলের বন্ধ করে দেয়া রাস্তা খুলে দেয়ার জের ধরে বাড়ি ভাঙার অভিযোগ এনে ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গ্রাম পুলিশের নামে মামলা দেয়া হয়েছে।উপজেলার বেতদিঘী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে নমির উদ্দিন বাদী হয়ে গতকাল বুধবার দিনাজপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন, বেতদিঘী ইউপি চেয়ারম্যান উপাধক্ষ্য আব্দুল কুদ্দস শাহ, ইউপি সদস্য আজিজার রহমান, গ্রাম পুলিশ আরিফুর রহমান, ময়েজ উদ্দিন, হরিলাল রবীদাস, খোরশেদ আলম এমদাদুল হক, রইচ উদ্দিন, মোস্তকিম, ভুপেন সিং আফতাব হোসেন, ও মামলাকারী নমির উদ্দিনের আপন ভাই মকছেদ আলী, মকবুল হোসেন ও জামাল হোসেন।গ্রামবাসী ও ইউপি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দপুর গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে নমির উদ্দিনের সঙ্গে তার ভাই মকছেদ আলী, মকবুল হোসেন ও জামাল হোসেনের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।এই জের ধরে নমির উদ্দিন, মকবুল হোসেন, মকছেদ আলী ও জামাল হোসেনের বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এই ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান কয়েক দফা শালিসি বৈঠক করে আপোস করার চেষ্টা করে। কিন্তু নমির উদ্দিন চেয়ারম্যানের অনুরোধে অপর তিন ভাইয়ের চলাচলের রাস্তা খলে না দেয়ায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশদের নিয়ে চলাচলের রাস্তার ওপর লাগানো টিনের বেড়া ভেঙে দেয়। এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে নমির উদ্দিন দিনাজপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন।ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস বলেন, কছিম উদ্দিনের পাঁচ ছেলে বাবার জমিতে বাড়ি করে। এর মধ্যে মকবুল হোসেন, মকছেদ আলী ও জামাল হোসেনের বাড়ি রাস্তার পেছনে পড়ে যায়। এই সুযোগে নমির উদ্দিন পেছনের অংশে ভাইদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এই কারণে নমির উদ্দিনের ভাইয়েরা ইউপি কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করে। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কয়েক দফা ইউপি কার্যালয়ে বৈঠক করেও কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না নমির উদ্দিন। বাধ্য হয়ে ইউপি কার্যালয় থেকে নমির উদ্দিনের টিনের প্রাচিরটি ভেঙে দিয়ে তার অপর ভাইদের চলাচলের রাস্তা বের করে দেয়া হয়।মামলার বাদী দাবি করেন, তার কোনো কথা না শুনে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আসামিরা তার প্রাচীর ভেঙে দিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এই কারণে বাধ্য হয়ে এই মামলা দায়ের করেছি।ফুলবাড়ী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম হাবিব বলেন, মামলা দায়ের করার কথা শুনেছি। কিন্তু এখনো সেই মামলার কোনো কপি থানায় আসেনি। মামলাটি থানায় আসলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমদাদুল হক মিলন/এএম/জেআইএম