কিশোরগঞ্জর বাজিতপুরে জাতীয় শোক দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে একসঙ্গে ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রভাতফেরি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ৫টি স্কুল ও কলেজের ১০ হাজার শিক্ষার্থী একসাথে অংশ নেয় এই প্রভাতফেরিতে। বাজিতপুরের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রাপ্ত পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার লম্বা একুশের প্রভাতফেরিতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি। আর সবার কণ্ঠে ছিল সেই অমর সংগীত, আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি...আমি কি ভুলিতে পারি। সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত শহরের জামতলী মোড় থেকে বাজিতপুর উপজেলা পরিষদ গেইট পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রভাতফেরির উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. আফজাল হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ছারওয়ার আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি, পৌর মেয়র আনোয়ার হোসেন আশরাফসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।এই প্রভাতফেরিতে অংশ নেন, বাজিতপুর আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজ্জাকুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাজিতপুর হাফেজ আব্দুর রাজ্জাক পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, নাজিরুল ইসলাম কলেজিয়েট স্কুল ও বেগম রহিমা উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ হাজার শিক্ষার্থী। প্রভাতফেরি শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি জামতলী মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বলেন, বাংলা ভাষার জাগরণের জন্যই এ আয়োজন। এতে করে শিক্ষার্থীরা মায়ের ভাষার প্রতি আরও যত্নশীল হবে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর দেশে প্রথম বাজিতপুরে ১০ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে প্রভাতফেরির আয়োজনের ফলে ভাষা শহীদদের প্রতি নতুন প্রজন্মের দৃষ্টিভঙ্গি ও মর্যাদা আরও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।গত ২১ জানুয়ারি বাজিতপুর পৌর শহরের নাজিম ভূইঁয়া মাঠে উপজেলার ১৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫ হাজার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বই পড়া উৎসবের আয়োজন করেন বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি।নূর মোহাম্মদ/এএম/আরআইপি