নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক লোককে আসামি করে দুটি মামলা করা হয়েছে। দুই মামলায় সামেদ আলী হাজীকে প্রধান করে প্রায় ৬০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়। বুধবার সকালে ফতুল্লা মডেল থানায় দায়ের করা মামলার বাদী করা হয়েছে আলী হোসেন ও মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখান থানায় দায়ের করা মামলার বাদী করা হয়েছে ফজর আলীর স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফতুল্লা ও সিরাজদীখান থানার বর্ডার এলাকা হচ্ছে আকবরনগর। দীর্ঘদিন ধরে সামেদ আলী বাহিনী এখানে চাঁদা আদায় করছে। সম্প্রতি সামেদ আলীর প্রতিপক্ষ কয়েকটি বাহিনীর একত্রিত চাঁদাবাজির পরিকল্পনা করে। মঙ্গলবার আলী হোসেন বাহিনী সপ্তাহের চাঁদা আদায় করতে গেলে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ লাগে। সংঘর্ষের ঘটনায় সামেদ আলী বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলার পর গ্রেফতার এড়াতে গা ঢাকা দেয় তারা। বুধবার সকালে আলী হোসেন বাহিনীর লোকজন সামেদ আলীর লোকের বাড়ি ঘর ভাঙচুর করার চেষ্টা করলে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে সিরাজদী খান ও ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন ও সিরাজদীখান থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস খান মামলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা বলেন, দুই মামলায় অন্তত শতাধিক লোককে আসামি করা হয়েছে। মো. শাহাদাত হোসেন/এএম/জেআইএম