স্বপ্ন পূরণের জন্য শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান। রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আর্নিং অ্যান্ড লার্নিং ফেয়ারে শিক্ষার্থীদের তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, উন্নত ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হাতছানি দিচ্ছে। সেই সুযোগ নেয়ার দায়িত্ব প্রতিটি শিক্ষার্থীদের। এক্ষেত্রে যত রকম সুযোগ সুবিধা দরকার সরকার দিচ্ছে। আমার স্বপ্ন নয়, তোমাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে। এজন্য যত সহযোগিতা প্রয়োজন আমরা করবো। শামীম ওসমান কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আর্নিং অ্যান্ড লার্নিং কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৫০ শিক্ষার্থী চাই। এখানে তোমরা যারা ছাত্রলীগ করো যদি তোমরা ৫০০ জনকে দাঁড় করিয়ে দিতে পারো, তবে এটাই হবে তোমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই ৫০০ জনের মধ্যে একজন হতে পারে বিল গেটস। আর বিল গেটস হওয়াটা অসম্ভব কোনো ব্যাপার নয়। বিল গেটসের বাবা কিন্তু বিল গেটস ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, আমাদের জন্য দুঃখজনক এই সাবমেরিন ক্যাবল যখন বিনা পয়সায় বাংলাদেশে এসেছিল আমাদের দেশ তখন সেটি নেয়নি। তখন ছিল এরশাদ সরকার, বুঝে নিন সে কি। পরবর্তীতে বিএনপি সরকারের আমলে সে সুযোগ আবার আসলে তারা বলেছিল কমিশন কত দেবেন, ঘুষ চেয়েছে। লাইনটা চলে গেল ভারতের দিকে। আজকে গিয়ে দেখেন ভারতের কি অবস্থা। ২০ বছর আগেও ভারতের রেস্তোরাঁয় খেতে বসলে ওখানকার মানুষ হা করে তাকিয়ে থাকতো। আজ ওখানকার রেস্তোরাঁগুলো সবসময় জমজমাট জনসমাগমপূর্ণ থাকে।এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ছরোয়ার হোসেন, কলেজের অধ্যক্ষ মধুমিতা চক্রবর্তী, আইএমইডির পরিকল্পনা প্রধান মো. নজরুল ইসলাম, আইএমইডি পরিকল্পনা পরিচালক ড. রনজিত কুমার সরকার, আইএমইডির পরিকল্পনা প্রকল্প পরিচালক তপন কুমার নাথ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরফুদ্দিন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ প্রমুখ।এদিকে মেলায় ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নারায়ণগঞ্জের সব উপজেলা ও ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টার ও অন্যান্য সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৩৮টি স্টল অংশগ্রহণ করে।শাহাদাত হোসেন/এমএএস/জেআইএম