দেশজুড়ে

চকরিয়ায় বেইলি সেতুতে ধস, চলাচলে দুর্ভোগ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ধসে পড়েছে ছিকলঘাট বেইলি সেতুটি। ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সেতুর মাঝখানে ধসে পড়ায় বর্তমানে দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে স্থানীয় লোকজনের মাঝে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম সেলিম বলেন, ১৫-২০ বছর আগেও কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সকল ধরনের যানবাহন পাকিস্তান আমলে নির্মিত এ বেইলি সেতুটি দিয়ে চলাচল করত। পরে জিদ্দাবাজার অংশে নতুন সড়ক চালু হলে ছিকলঘাট বেইলি সেতুটি প্রায় অচল হয়ে পড়ে।

তারপরও লক্ষ্যারচর এবং কৈয়ারবিল ইউনিয়নের সর্বসাধারণ এবং চকরিয়া কলেজ ও আমজাদিয়া মাদরাসার হাজারো শিক্ষার্থী সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন নিরাপদে চলাচল করে আসছে। কিন্তু কয়েকবছর ধরে সেতুটির অবস্থা নড়েবড়ে হয়ে যায়। সর্বশেষ মঙ্গলবার ভোরে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সেতুটির মাঝখানে ধসে পড়েছে।

এলাকাবাসীর মতে, জনসাধারণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিলম্বে বেইলি সেতুটি মেরামত করা প্রয়োজন। এই সেতুটি মেরামত বা পুনঃনির্মাণ করা হলে নতুন করে অন্য স্থানে সেতু নির্মাণের প্রয়োজন নেই।

কারণ বেইলি সেতুটি লাগোয়া নতুন অপর একটি সেতু করা হলে সরকারকে সেতুর পাশাপাশি তার জন্য এপ্রোচ সড়কও তৈরি করতে হবে। তাতে সরকারের ব্যাপক অর্থ অপচয় হবে। তাই সরকারি অর্থ অপচয় রোধ এবং এপ্রোচ সড়ক লাগোয়া এলাকায় পুরানো স্থানে সেতুটি মেরামত বা পুনঃনির্মাণ করা এখন লক্ষ্যারচর ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নবাসীর প্রাণের দাবি।

চকরিয়া সড়ক উপ-বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ এহেছান বলেন, ছিকলঘাট বেইলি সেতুটি ধসে পড়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক সেখানে সেতুর দুই পাশে সতর্কতা জারি করে লাল পতাকা ও সাইন বোর্ড টাঙিয়ে দেয়া হয়েছে। সেতুটি মেরামত বা পুনঃনির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে মাস দুয়েক আগে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্তের আলোকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।সায়ীদ আলমগীর/এফএ/আরআইপি