পিরোজপুরের কাউখালীতে প্রকাশ্য দিবালোকে চাঞ্চল্যকর অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন মাসুদ হত্যা মামলার রায়ে ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মো. কামরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম শান্ত, রেজাউল ইসলাম, মিজান জমাদ্দার, আল-আমিন হোসেন রনি, সোহরাব হোসেন, আজিজুল হক খোকন।রোববার বরিশাল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক দুপুর সোয়া ১২টায় আদালতে চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।জানা যায়, ২০০৯ সালের ১১ অক্টোবর সকালে বেসরকারি সংস্থা যুবকের টাকা নিয়ে মাসুদ ঝালকাঠী রিয়েলস্টেট-এর জায়গা বায়না করার জন্য কাউখালীর কচুয়াকাঠী বেইলি ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে গেলে তাকে গুলি করা হয়। আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা মাস্টার কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে প্রকাশ্যে দিবালোকে তাকে হত্যা করেন।ওই দিনই অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন মাসুদের ভাই নলছিটি কলেজের অধ্যাপক আল আমিন খান মামুন বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে কাউখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলাটি ২০০৯ সালের শেষদিকে ১১ জনের নামেই চার্জশিট প্রদান করে। ২০১০ সালে মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলে পাঠানো হয়। মনিটরিং সেলে যাচাই বাছাই শেষে চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে দ্রুত বিচার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালত বরিশালে পাঠানো হয়। আদালত সাক্ষী-প্রমাণ গ্রহণ করে দীর্ঘ শুনানি শেষে রোববার এ রায় প্রদান করেন।এই রায়ে আদালত তুহিন, মুরাদ, মোর্শেদ নামে তিনজনকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন। এছাড়া মামলার অন্যতম আসামি মনোয়ারা বেগম জেল হাজতে মৃত্যুবরণ করায় তাকে বাদ দিয়ে বাকি ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। এর মধ্যে কামরুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম শান্ত জেলে রয়েছেন। বাকি চারজন পলাতক রয়েছেন।এমজেড/এমএএস/আরআই