দেশজুড়ে

প্রধান অতিথির সামনেই নাচলেন শিক্ষকরা

আলোচনা শেষ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিল্পীরা গান পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। দেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আব্দুল হাদীর ‘আছেন আমার মুক্তার, আছেন আমার ব্যারিস্টার। শেষ বিচারের হাইকোর্টেতে, তিনিই আমায় করবেন পার, আমি পাপী তিনি জামিনদার।`

গানটি শুরু হওয়ার পরেই কলেজের এক শিক্ষক নাচতে শুরু করলেন। তাকে দেখেই কলেজের আরও কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষাথীরা একত্রিত হয়ে নাচতে শুরু করলেন। জমে উঠলো অনুষ্ঠান। এসময় প্রধান অতিথি সাবেক পানিসম্পদ রমেশ চন্দ্র সেন ও কলেজের অধ্যক্ষ শিক্ষকদের উৎসাহ দেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এমনটিই ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।

কয়েকজন শিক্ষক জানান, আমরা শুধু শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা করাবো এ কথা ঠিক না। পড়াশুনার পাশাপাশি আনন্দ, উল্লাস প্রয়োজন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কোথাও কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলে মিস করতাম না। আজ যেন আমরা সকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে ফিরে গেছিলাম। তাই শিক্ষক ও শিক্ষার্থী যদি বন্ধুর মতো একত্রিত হয়ে কাজ করা যায় তাহলে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে মনে করছি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এমপি বলেন, আজ অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের উল্লাস আমাকে অবাক করেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এক সঙ্গে আনন্দ উল্লাস করলে সমাজে কোনো সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ থাকবে না। তাই আমরা সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ হলে শিক্ষাঙ্গনে জঙ্গিবাদের আশ্রয় কখনও হবে না। আসলে শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, তার সঙ্গে আমাদের মাথা ও হার্টকে একীভূত করতে হবে। দেশের স্বার্থে শিক্ষায় মানুষের বিবেক জাগ্রত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

রবিউল এহসান রিপন/এমএএস/আরআইপি