টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে একদল ডাকাত বাবার সামনেই তার দুই মেয়েকে গণধর্ষণ করেছে।ঘটনাটি গত ১৩ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে উপজেলার গাবসারা চরাঞ্চলে রুহুলীপাড়ায় ঘটেছে। তবে, ডাকাতদলের অব্যাহত হুমকির ভয়ে ঘটনাটি এতদিন গোপন রেখেছিল পরিবারটি।এদিকে এ ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে সোমবার সকালে প্রায় ৬ শতাধিক স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত ডাকাতদের বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।এ ঘটনায় রোববার রাতে ওই দুই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করে ভূঞাপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।মামলার ৫ আসামি হলেন, একই উপজেলার আকাব্বর আলীর ছেলে নৌকা চালক সুজাল (২৮), চরবিহারী গ্রামের সুরমানের ছেলে রকমান (২২), পাষাণ মন্ডলের ছেলে নজরুল (৩০), আব্দুর রশিদের ছেলে আসাদুল (৩০) ও চান মিয়ার ছেলে সাইদুল। মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৩ এপ্রিল দুই মেয়েকে নিয়ে বেড়াতে যান তাদের বাবা। মেয়েরা ঢাকার একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরিতে কাজ করে। ওইদিন উপজেলার গোবিন্দাসী থেকে নৌকাযোগে গাবসারার বেলটিয়াপাড়া যাওয়ায় সময় সংঘবদ্ধ ডাকাতদল তাদের পথ গতিরোধ করে। এসময় বাবার সামনে তার দুই মেয়েকে নৌকা থেকে নামিয়ে অন্য একটি নৌকায় নিয়ে ডাকাতরা গণধর্ষণ করে। পরে তাদের কাছে থাকা দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়।এ ঘটনার পর দিন ডাকাতদলের অন্যতম সদস্য সাইদুল ধর্ষিত মেয়েদের বাড়িতে গিয়ে তাদের মোবাইল ফোন ফেরত দেয় এবং ঘটনাটি যাতে প্রকাশ না পায় সেই হুমকি দিয়ে আসে। মামলার বাদী জাগো নিউজকে জানান, এখনো ডাকাতরা আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমি আমার জানের নিরাপত্তা চাই। সেই সাথে ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।এ ব্যাপারের ভূঞাপুর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. ফজলুল কবির জানান, দোষীদের ধরতে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে। খুব দ্রুত গ্রেফতার করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।এমএএস/আরআইপি