দেশজুড়ে

পিরোজপুরের মৎস্য বন্দর সেতুর বেহাল দশা

পিরোজপুরের মৎস্য বন্দরে যাওয়ার সেতুটির বেহাল দশা। যেকোন মূহুর্তে সেতুটি ভেঙে যেতে পারে। আর এ সেতুটি ভেঙে পড়লে চরম দুর্ভোগে পড়তে হবে মৎস্য ব্যবসায়ীসহ গ্রামবাসীদের।প্রতিদিন এ সেতু দিয়ে মৎস্য পরিবহনসহ কয়েক হাজার লোক চলাচল করে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পিরোজপুর এলজিইডির কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে সেতুর বেহাল অবস্থার কথা জানিয়েছি। কিন্তু কোন প্রতিকার পাইনি।সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কচাঁ নদী থেকে উত্তর দিকে বয়ে গেছে পিরোজপুর-পাড়েরহাট ভারানী খাল। এ খালের পূর্বপ্রান্তে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের বাদুরা গ্রাম। এখানে রয়েছে মৎস্য বন্দর যা সবার কাছে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর নামে পরিচিত। আর পশ্চিম প্রান্তে জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের পাড়েরহাট বন্দর বাজার।মৎস্য আড়ৎদাররা জানান, সমুদ্র থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০টি ট্রলারে মাছ নিয়ে এ মৎস্য বন্দরে আসে মৎস্যজীবীরা। পরদিন সকালে এ ট্রলারগুলোর মাছ বিক্রির পর ঠেলা গাড়ি বা ভ্যানে করে এ সেতু দিয়ে পাড়েরহাট বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে গাড়িতে করে তা দেশের  বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।পাড়েরহাট বন্দরের মৎস্য ব্যবসায়ী মোঃ ইকবার হোসেন উকিল জানান, প্রতিদিন হেলে পড়া সেতুর উপর দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ প্রায় ১০ হাজার লোক চলাচল করে। যে কোন সময় তা ভেঙে খালে পড়তে পারে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান তিনি।সরেজমিনে দেখা গেছে লোহার খুটির উপর সিমেন্ট খোয়ার ঢালাইয়ে সেতুটি নির্মিত। এটি মাঝ থেকে পূর্ব উত্তর দিকে হেলে পরেছে।পিরোজপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল হাসান জানান, মৎস্য বন্দরে যেতে সেতুটির খারাপ অবস্থার কথা আমি জেনেছি। চেষ্টা করছি স্বল্প সময়ে মৎস্য বন্দরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য একটি নতুন সেতু নির্মাণের।এসএস/আরআই