সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ভাঙ্গাবাড়ী পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার ও বিএনপি নেতা আব্দুল কুদ্দুস মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রোববার সকালে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুস সাত্তার ও রাত ৩টার দিকে গুরুতর অসুস্থ আব্দুল কুদ্দুসকে ঢাকা নেয়ার পথে কালিয়াকৈড় এলাকায় ইন্তেকাল করেন।
বাদ জোহর আব্দুল কুদ্দুসের জানাজা নামাজ মালসাপাড়া পৌর কবরস্থান ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ও রাত ৯টায় আব্দুস সাত্তারের জানাজা নামাজ এবং দাফনকার্য সম্পন্ন করার কথা রয়েছে বলে তার পরিবার জানিয়েছেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, রোববার রাত ৩টার দিকে আব্দুল কুদ্দুস অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় পরিবারের লোকজন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকা নেয়ার পথে কালিয়াকৈড় এলাকায় জেলা বিএনপি নেতা আব্দুল কুদ্দুস মারা যান।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও এক নাতিসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রোববার বাদ জোহর মালসাপাড়া পৌর কবরস্থান ঈদগাহ মাঠে মরহুম আব্দুল কুদ্দুসের জানাজা নামাজ শেষে তার দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়।
জানাজা নামাজের আগে মরহুর আব্দুল কুদ্দুসের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ অ্যাডভোকেট মোকাদ্দেছ আলী, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুন অর রশিদ খান হাসান, ১৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম ভুট্টো, সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ হানিফ ও মরহুর আব্দুল কুদ্দুসের একমাত্র ছেলে মিঠুন সেখ।
অন্যদিকে ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ভাঙ্গাবাড়ী পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। মৃত্যুকালে তিনি দুই স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রাত ৯টায় রহমতগঞ্জ পৌর কবরস্থানে মরহুমের জানাজা নামাজ এবং দাফন কার্যসম্পন্ন করার কথা রয়েছে বলে তার পরিবার জানিয়েছেন।
বিএনপি নেতা আব্দুল কুদ্দুস ও আব্দুস সাত্তারের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রুমানা মাহমুদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট মোকাদ্দেছ আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী আজিজুর রহমান দুলাল, সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মজিবর রহমান লেবু, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মির্জা মোস্তফাজামান, শহর বিএনপির সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদারা রানা, সাধারণ সম্পাদক মুন্সি জাহিদ আলম।
ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এএম/জেআইএম