ইয়াবা ব্যবসায়ীরা যতই ক্ষমতাবান হোক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে পুলিশের আইজি এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, ইয়াবা কারবারের সঙ্গে পুলিশ কিংবা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ জড়িত থাকলে, তাদেরও রেহাই দেয়া হবে না। তবে পুলিশের একার পক্ষে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। সবাই মিলে কাজ করলে সব ধরনের অপরাধ রোধ সম্ভব।
তিনি জঙ্গি ও ইয়াবার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশকে সহযোগিতারও আহ্বান জানান।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের আয়োজনে বুধবার বিকেলে কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাদক ও জঙ্গিবিরোধী সমাবেশে আইজিপি এসব কথা বলেন।
আইজিপি শহীদুল হক মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার তাগিদ দিয়ে বলেন, ইয়াবাসহ সব ধরনের অপরাধে জড়িতদের সামাজিকভাবে বয়কট করুন। এ কাজে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সমাজের সচেতন ব্যক্তি এবং জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানান।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মনির-উজ-জামান, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন, কক্সবাজার কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. শাহজাহান, টেকনাফ কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম প্রমুখ।
সমাবেশে যাওয়ার আগে বিকেল ৪টায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন টেকনাফ মডেল থানার বহুতল নতুন ভবন ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন তিনি। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সড়কপথে তিনি কক্সবাজার এসে মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে টেকনাফের বাহারছড়ায় নবনির্মিত বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্র’র ভবন উদ্বোধন করেন।
মাদকবিরোধী সমাবেশে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, মহেশখালী, পেকুয়া, চকরিয়া, রামু, উখিয়া ও কক্সবাজার সদর এবং টেকনাফের কমিউনিটি পুলিশের সদস্য, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় কয়েক হাজার লোক উপস্থিত থেকে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নেয়া উদ্যোগে সহযোগিতা করার হাত তুলে অঙ্গীকার করেন।
সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/জেআইএম