ঘূর্ণিঝড় মোরা প্রতিরোধে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের দরবার হলে জেলা প্রশাসক মো. মাছুমুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও জন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন। ঘূর্ণিঝড়ে জীবন ও সম্পদহানীর পরিমাণ কমাতে ৩৫১টি সাইক্লোন শেল্টার ও আশ্রয়ন কেন্দ্রকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
শুকনো খাবারের পর্যাপ্ত মজুদ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রাখা হচ্ছে। এছাড়া সাগর উপকূলীয় উপজেলা সমূহের অদূরবর্তী দ্বীপ ও নির্মাঞ্চলে বসবাসরত জনগণকে নিরাপদ আশ্রয় সরিয়ে আনার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় আকাশ হালকা মেঘাচ্ছন্ন হয়ে আছে। পায়রা সমুদ্রবন্দর এলাকায় পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পায়রা সমুদ্র বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পণ্য খালাসের জন্য কোনো জাহাজ নেই। তবে ঘূর্ণিঝড় থেকে স্থাপনা রক্ষায় সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পায়রা বন্দরের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।
কুয়াকাটা-আলীপুর ট্রলার মালিক ও মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুরের পোতাশ্রয় শিববাড়িয়া নদীতে প্রায় তিন শতাধিক মাছ ধরা ট্রলার নিরাপাদ আশ্রয় নিয়েছে।
মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/জেআইএম