পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী লামিয়া নূর (২২) হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসীর আয়োজনে বুধবার সকাল ১০ টায় শহরের টাউন ক্লাব রোডে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এক বছর আগে পিরোজপুর শহরের সিআই পাড়া এলাকার মৎস ব্যবসায়ী আব্দুল কালাম শেখের মেয়ে লামিয়ার নূরের সঙ্গে যশোরের কেশবপুর উপজেলার সন্ন্যাসগাছা গ্রামের মৃত হামিদ সর্দারের ছেলে পুলিশ সদস্য হানজালা হাসানের বিয়ে হয়।
বিয়ের কয়েক মাস পর হানজালা তার শ্বশুরবাড়ির লোকদের কাছে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল দাবি করে। লামিয়র পরিবার হানজালাকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল দিতে চাইলেও তাতে সে রাজি হয়নি। এরপর সে বিভিন্ন সময় লামিয়ার উপর শারিরীক নির্যাতন চালায়।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত শনিবার দুপুরে পুলিশ সদস্য হানজালার কর্মস্থল ঝিনাইদহের একটি ভাড়া বাসায় লামিয়াকে হত্যার পর ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে হানজালা। পরবর্তীতে তা আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়।
বক্তারা ওই পুলিশ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে বলেন, দেশের অন্যান্য হত্যা ঘটনার মত লামিয়া হত্যা যেন চাপা পড়ে না যায়।
মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিউল হক মিঠু, পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিউল হক মিঠু, পৌর কাউন্সিলর আব্দুস ছালাম বাতেন, পৌর কাউন্সিলর সাদ্উল্লাহ লিটন, উন্নয়ন কর্মী মাইনুল আহসান মুন্না, জেলা মহিলা পরিষদের আন্দোলন সম্পাদক শিরিনা আফরোজ, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ভিপি এসএম বায়েজিদ হোসেন, সহপাঠী আবুল কালাম, লামিয়া নূরের চাচা মো. আলম শেখ, স্থানীয় এস এম মুর্সিদ, সৈয়দ আহসান।
হাসান মামুন/এফএ/জেআইএম