দিনে সর্বসাধারণের আইনি সেবা শেষে রাতেও ঘুরে বেড়ায় পথে প্রান্তরে। সাধারণ মানুষের কোথাও কিছু হচ্ছে কিনা। কেউ কোনো সমস্যায় পড়েছেন কিনা।
কেউ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন সৃষ্টি করছেন কিনা। সকাল থেকেই অফিসের কাজ শেষ হতে অনেক সময় বিকেল গড়িয়ে যায়। আবার কোথাও কোনো অঘটন ঘটলে সেটাও ভিজিট করতে হয়।
সব মিলিয়ে ব্যস্ততার মধ্য দিয়েই কেটে যায় দিনগুলো। জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন সাতক্ষীরা সদর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার।
জাগো নিউজকে তিনি বলেন, সকাল ১০টা থেকে অফিসে ৪টা বেজে যায়। অনেক সময় আরও বেশি সময় পার হয়ে যায়। সন্ধ্যায় বাসায় একটু বিশ্রাম নিয়ে রাত ১০টার দিকে বের হয়ে যায় এলাকা পাহারা দিতে। পুরো রমজান মাসজুড়ে রাত ৩টা পর্যন্ত আমার পাহারা দেয়া চলমান থাকে।
সাতক্ষীরায় জামায়াত-শিবির অধ্যুষিত এলাকায় এত রাতে বাইরে থাকতে ভয় হয় কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার ভয় হয় না। কোনো কিছুতেই যেন মনের মধ্যে কোনো ভীতি কাজ করে না। আমি মনে করি, আমার দায়িত্বে থাকা সাতক্ষীরা সদর থানা ও কলারোয়া থানার মধ্যে যেন কেউ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিরি বিঘ্ন ঘটাতে না পারে। দুষ্কৃতকারীরা চেষ্টা করবে বিঘ্ন ঘটানোর। আমাদেরও সচেষ্ট থাকতে হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ও জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার।
২০০৮ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন মেরিনা আক্তার। তিনি গোপালগঞ্জ জেলা সদরের শুকরাইল গ্রামের বাসিন্দা। সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেছেন চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি। এটি তার সপ্তম কর্মস্থল।
এদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মেরিনা আক্তারের রাত্রিকালীন পাহারাকে সাধুবাদ জানিয়ে কাটিয়া লস্কর পাড়ার সবুজ জাগো নিউজকে বলেন, অপরাধীরা নির্বিঘ্নে অপরাধ কর্মকাণ্ড সংগঠিত করার জন্য রাতকেই বেশি বেছে নেয়।
কিন্তু রাতে পুলিশি তৎপরতা থাকলে একদিকে যেমন অপরাধীরা অপরাধ সংগঠিত করতে পারবে না তেমনি পুলিশ জনগণের সেবক সেটার প্রতিফলন ঘটবে। পুলিশের কিছু উশৃঙ্খল সদস্যের কারণে এখন গোটা বাহিনীর বদনাম। পুলিশ বাহিনীর সকলেই এমনটা হলেই পুলিশ যে জনগণের বন্ধু সেটার বাস্তবায়িত হবে।
আকরামুল ইসলাম/এএম/পিআর