দেশজুড়ে

কমতে শুরু করেছে খোয়াই নদীর পানি

হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। গতকাল মধ্যরাতের পর থেকে নদীর পানি বিপদসীমার ১৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

সোমবার সকাল থেকে পানি নামতে শুরু হলে বিকেল ৩টায় বিপদসীমার ১১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আশঙ্কা উজানে বৃষ্টিপাত হলে ফের নদীতে পানি বৃদ্ধি পেতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, নদীর উজানে ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে রোববার সন্ধ্যা থেকে খোয়াই নদীর পানি বাল্লা সীমান্তে বাংলাদেশ অংশে বাড়তে শুরু করে। রাত ৯টায় জেলা শহরের মাছুলিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপদসীমার উপরে উঠতে শুরু হয়।

রাত ১১টায় ওই পয়েন্টে নদীর পানি বিপদসীমার ১১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর থেকে কিছু সময় পানি স্থিতিশীল অবস্থায় থাকলেও মধ্যরাতের পর আবারও নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। শেষ রাত নাগাত নদীর পানি বিপদসীমার ১৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

সোমবার সকাল থেকে নদীর পানি কমতে শুরু হয়। বিকেল ৩টায় মাছুলিয়া পয়েন্টে পানি বিদসীমার ১১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

উল্লেখ্য, ওই পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ড বিপদসীমা নির্ধারণ করেছে ৯ মিটার ৫০ সেন্টিমিটার। পানি প্রবাহিত হচ্ছে ১০ মিটার ৬০ সেন্টিমিটারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তাওহিদুল ইসলাম জানান, নদীর ভারত অংশ থেকে হঠাৎ রোববার সন্ধ্যায় পানি বাড়তে শুরু করে। তাই রাতে বাংলাদেশ অংশে নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। ভাটিতে নদীর বাঁধ ডুবন্ত। আবার ভাঙাও আছে। তাই তেমন ঝুঁকি আপাতত নেই।

তিনি বলেন, মধ্যরাতের পর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৪০ সেন্টিমিটার উপরে চলে যায়। অবশ্য সোমবার সারাদিনে ৩০ সেন্টিমিটার পানি কমেছে। তবে যদি ভারতে বৃষ্টিপাত হয় তবে নদীর পানি ফের বৃদ্ধি পেতে পারে। এখন হাওরে পানি ছড়িয়ে পড়লে কোনো সমস্যা নেই। বরং ভালো। হাওরে এখন ফসল নেই। মাছ ভালো উৎপাদন হবে।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এএম/জেআইএম