নীলফামারীর ডিমলায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে না পেরে প্রধান শিক্ষকের ঘরবাড়ি পেট্টল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইউপি সদস্যসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সোমবার থানায় মামলা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সফিউল ইসলামের সঙ্গে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি পদ নিয়ে পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাকিরুল ইসলামের দ্বন্দ্ব চলছিল।
জাকিরুল ইসলাম সভাপতি হতে না পারার জেরে গত বুধবার রাতে পেট্টল দিয়ে প্রধান শিক্ষকের ৪টি রুমসহ সকল আসবাপত্র পুড়ে দেয়। এ ঘটনায় সফিউল ইসলামের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা হয়। সফিউল ইসলাম বলেন সভাপতি পদে প্রকাশ্য ভোটে জাকিরুল ইসলাম হেরে গিয়ে এ ঘটনা ঘটায়।
প্রধান শিক্ষক সফিউল ইসলাম পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের ঠাকুরগঞ্জে বাড়ি হলেও ঘটনার দিন গত বুধবার ছেলে অসুস্থ থাকার কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থান করেন। বাড়ি তালা দেয়ার সুযোগে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ১১ লাখ টাকার ওপরে।
প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, নগদ ৬৩ হাজার টাকা পুড়ে যায়। এ সময় ২৭টি ৫০০ টাকার পোড়া নোট উদ্ধার করে পুলিশ। সফিউল ইসলাম বাদী হয়ে ইউপি সদস্য সদস্য ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
পশ্চিম ছাতনাই ইউপি সদস্য জাকিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, আমার বাড়ি থেকে প্রধান শিক্ষকের বাড়ি ৫ কিলোমিটার দূরে। বিদ্যালয়ের সভাপতি নিয়ে দ্বন্দ্বে সূত্রে প্রধান শিক্ষক মিথ্যাভাবে ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
ডিমলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, বসতবাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে পেট্টল দিয়ে পুড়ে দেয়া হয়েছে বাড়িটি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
জাহেদুল ইসলাম/এএম/জেআইএম