দেশজুড়ে

টেকনাফে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ বাড়ি ভস্মিভূত

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ বসত বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার বিকেলে স্থানীয় আব্দুল জলিলের ছেলে দিলদার আহমদের বাড়ির চুলা থেকে অসাবধানতাবশত আগুনের সূত্রেপাত ঘটে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। এ ঘটনায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা। এ সময় চার শিশু আহত হয়েছে। আহতরা হলো, হেলাল উদ্দিনের একবছর বয়সী শিশু মো. সিফাত, ফরিদুল আলমের ছেলে রবিউল আলম (১০), দিলদার আহমদের মেয়ে সোনালী (৪) এবং আব্দুর রহিমের ছেলে জাহেদ হোসেন (৭)। তাদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দিলদার আহমদের বাড়ির চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এসময় বাড়ির ভেতর কেউ ছিলেন না। এতে  আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডস্থলের পাশে পানির কোন ব্যবস্থা না থাকায় চেষ্টা করেও ১৫টি  বসতবাড়ি পুড়ে যাওয়া থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন, আব্দুল জলিল, তার ছেলে ফরিদ আলম, আব্দু রহিম, খায়রুল বশার, নুর বশার, আবুল কালাম, জয়নাল আবেদীন, মৃত শহর মল­ুকের ছেলে আবুল মঞ্জুর, তার ছেলে মোস্তাক আহমদ, জালাল উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, হেলাল উদ্দিন, মো. ইসমাঈল, সৈয়দ আহমদ, শামসুল আলম। ক্ষতিগ্রস্থ দিলদার আহমদ জাগো নিউজকে বলেন, রান্না ঘরের চুলা থেকে কীভাবে আগুন ধরেছে বলতে পারছি না। বাড়ি ঘরের সঙ্গে ধান, চাল, আসবাবপত্র, স্বর্ণ, নগদ টাকাসহ প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।হোয়াইক্যং ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল চৌধুরী তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, কক্সবাজার থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসার আগেই আসবাবসহ বাড়িঘর ছাই হয়ে গেছে। চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের সমবেদনা জানিয়েছেন। সায়ীদ আলমগীর/এমজেড/আরআইপি