বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপে মেঘনা নদীতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চারটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের অন্তত ৪০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৫০ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সাগর উত্তাল থাকায় হাতিয়ার সঙ্গে নৌ-রুটে সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
এদিকে নোয়াখালীর হাতিয়ার দমার চরে ঝড়ের কবলে ডুবে যাওয়া মাছ ধরা নৌকার নিখোঁজ ছয় জনের মধ্যে আবু তাহের নামে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হাতিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খন্দকার রেজাউল করিম জাগো নিউজকে জানান, নিম্নচাপের কারণে রোববার বিকেলে জোয়ারের পানি অস্বাভাবিক গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায় ও উপজেলার নলচিরা, সুখচর, চরঈশ্বর ও তমরুদ্দিনসহ ইউনিয়নের পূর্ব দিকে বেড়িবাঁধ না থাকায় পানি প্রবেশ করে অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এছাড়া নিঝুম দ্বীপের চারপাশে কোনো বেড়িবাঁধ না থাকায় এ ইউনিয়নের সবগুলো গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বর্তমানে হাতিয়া উপজেলার চারটি ইউনিয়নের অন্তত ৪০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় এলাকবাসী বাঁধ কেটে দিয়েছে। ফলে অনেক এলাকায় পানি নামতে শুরু করেছে।
মিজানুর রহমান/এফএ/পিআর