মানুষের জীবন রক্ষায় উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে জলবায়ু অর্থায়ন বিষয়ক নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলো। সোমবার কক্সবাজার পৌর ভবনের সামনের সড়কে এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।
ত্রাণ বা অনুদান নয়, স্বাভাবিক জীবনের নিশ্চয়তা দাবি করে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কংক্রিট বা সি-ডাইক পদ্ধতিতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে উপকূল রক্ষা সম্ভব। এটি করা না গেলে ভবিষ্যতে সমগ্র উপকূল সাগরে বিলীন হয়ে নিচ্ছিন্ন হবে।
বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় মোরার ধকল কেটে না উঠতেই তীব্র ঝড়ো হাওয়া এবং পূর্ণিমার ভরা জোয়ারে দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায় নতুন করে ৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিলীন হয়ে গেছে। এতে করে বাড়ি ঘরে ঢুকে পড়েছে জোয়ারের পানি। লোনা পানিতে ডুবে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। অন্তত ১০টি গ্রাম নতুন করে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। নতুন করে শাহপরীর দ্বীপে ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতে দেড় কিলোমিটার বেড়িবাঁধ পানিতে তলিয়ে গেছে। রোয়ানুর ভাঙন ও মোরার নতুন ভাঙনে গোমাতলীতে চলছে জোয়ার-ভাটা। মোরা’র আঘাতে সাগরে অনেক মাঝি-মাল্লা মৃত্যুবরণ করেছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন।
বেসরকারি সংস্থা কোস্ট ট্রাস্টের সিএফটিএম প্রকল্পের জেলা টিম লিডার মকবুল আহামদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমির সভাপতি মুহম্মদ নুরুল ইসলাম, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সহ-সভাপতি জিএএম আশেক উল্লাহ, মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কবি রুহুল কাদের বাবুল, আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন রহমান পেয়ারু, হিউম্যান ডিফেন্ডার ফোরাম কক্সবাজারের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান বাহাদুর, কক্সবাজার সিটি কলেজের প্রভাষক রুমানা আক্তার, দৈনিক রূপালী সৈকতের বার্তা সম্পাদক ইমাম খাইর, কুতুবদিয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুময়িন সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক দিনার, অ্যাডভোকেট আবু মুসা, যুবজোট নেতা মোশারফ হোসেন প্রমুখ।
সায়ীদ আলমগীর/আরএআর/আরআইপি