দেশজুড়ে

ঢাকামুখীদের চাপ দৌলতদিয়ায়

স্বজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে শুক্রবার সকাল থেকে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রী ও যানবাহনের বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা গেছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া বাস টার্মিনাল, লঞ্চ ও ফেরিঘাট এলাকায়।

তবে পর্যাপ্ত লঞ্চ-ফেরি ও সবগুলো ফেরিঘাট সচল থাকায় কোনো ধরনের যানজট ও ভোগান্তি ছাড়াই গন্তব্যে ফিরছেন যাত্রীরা। শক্রবার সকাল থেকেই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটের রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া প্রান্তে এ দৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।

এদিকে যাত্রীরা দৌলতদিয়া প্রান্তে কোনো ভোগান্তিতে না পড়লেও পথে পথে যানবাহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ে ভোগান্তিতে পড়ার অভিযোগ করেছেন।

কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীরা জানান, দৌলতদিয়া ঘাটে ভোগান্তি না থাকলেও ভোগান্তি রয়েছে পথে পথে, পরিবহনগুলো অতিরিক্ত ভাড়া নিয়েছেন তাদের কাছ থেকে।

বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিউটিএ দৌলতদিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দৌলতদিয়া প্রান্তের চারটি ফেরি ঘাটের চারটিই সচল রয়েছে। তাছাড়া এই নৌরুটে বর্তমানে ১৯টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যে কারণে কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি দৌলতদিয়ায়। তবে যাত্রীদের অনেকটা বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা গেছে লঞ্চ টার্মিনালে।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে কর্মরত ট্রাফিক সার্জেট উৎপল কুমার জানান, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে কোনো যানজট নাই। ভোগান্তি ছাড়াই যাত্রীরা নিরাপদে তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে পারছেন। কারো বিরুদ্ধে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে তার আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রুবেলুর রহমান/এফএ/এমএস