দেশজুড়ে

এক বছরেও সেবায়েত শ্যামানন্দ হত্যার চার্জশিট দিতে পারেনি পুলিশ

‘আমাদের ভালো দেখার কেউ নেই। এক বছর পার হলেও কেউ শ্যামানন্দ দাস বাবাজির হত্যার তদন্ত শেষ করতে পারলো না।’ এভাবেই নিজের কষ্টের কথা বললেন রাধামদন গোপাল মঠ ও মন্দিরের সেবায়েত শিফালী রানী।

কাষ্টসাগড়া গ্রামের বাসিন্দা ক্রী রবীন্দ্রনাথ রায় বলেন, আমাদের আর কী ক্ষমতা? আমরাতো সাধারণ মানুষ। একটা বছর পার করে দিলাম। কেই মামলাটার একটা খোঁজখবর করলো না। খুব দুঃখের কথা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর কাষ্টসাগরা গ্রামের রাধামদন গোপাল মঠ ও মন্দিরের সেবায়েত শ্যামানন্দ দাস হত্যাকাণ্ডের পর এক বছর পেরিয়ে গেলেও আজও এর তদন্ত শেষ হয়নি। ফলে আদালতে চার্জশিটও জমা দিতে পারেনি পুলিশ। গত বছর ১ জুলাই সেবায়েত শ্যামানন্দ দাস বাবাজিকে কুপিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা।

মন্দিরের সভাপতি সুবোল চন্দ্র ঘোষ জানান, ঘটনার পরদিন ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেন তিনি। এজাহারে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

রাধামদন গোপাল মঠ ও মন্দিরের পুরোহিত জানান, নিহত শ্যামানন্দ দাস বাবাজির বাড়ি নড়াইলে। তিনি উত্তর কাষ্টসাগরা রাধামদন গোপাল মঠ ও মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন। গত বছরের ১ জুলাই প্রতিদিনের মতো তিনি ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মঠের সামনে ঝিনাইদহ মাগুরা মহাসড়ক লাগোয়া বাগান থেকে পূজার ফুল তুলছিলেন। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জঙ্গিরা তাকে কুপিয়ে হত্যার পর মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যায়। আসামি যে দলেরই হোক আমরা দ্রুত এই ঘটনার বিচার চাই।

তবে এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানাবেন বলে জানান।

আহমেদ নাসিম আনসারী/আরএআর/আরআইপি