জঙ্গি আস্তানার খোঁজে গাইবান্ধার দুর্গম চরাঞ্চলে অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাটে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মো. মইনুল হক।
ব্রিফিংয়ে মইনুল হক বলেন, অভিযানে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), জেলা পুলিশ লাইনের পুলিশ ও সদর থানার পুলিশ অংশ নেয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। শুধু সদর থানা নয় পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জ থানার চরাঞ্চলগুলোতেও অভিযান চালানো হবে।
তিনি আরও বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতার এবং নৌ ডাকাতি প্রতিরোধ, জঙ্গিদের তৎপরতা ও নাশকতা প্রতিরোধে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মো. মইনুল হক বলেন, কোনো জঙ্গি আস্তানা বা কোনো জঙ্গি পাওয়া যায়নি। আমরা মোল্লারচর ইউনিয়নের সিধাইল চর থেকে শুকুর আলী (২৫) নামে এক ডাকাতকে আটক করেছি। তিনি ওই গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তার ভাইদের নামে ডাকাতির মামলা রয়েছে। অভিযানে কোনো অস্ত্র উদ্ধার হয়নি।
এ সময় সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) মো. আসাদুজ্জামান রিংকু, সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মেহেদী হাসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট, জেলা পুলিশ লাইনের পুলিশ, সদর থানার পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের প্রায় ১০০ জন সদস্য গাইবান্ধার বিভিন্ন চরে জঙ্গি আস্তানার খোঁজে অভিযান শুরু করেন।
রওশন আলম পাপুল/আরএআর/জেআইএম