দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চালের বরাদ্দ দেয়া একটি চিঠি বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে শেরপুরে পৌঁছাতে সময় লেগেছে ৬ দিন।
এই উপজেলার ১০০টি মসজিদে ইফতার মাহফিলের জন্য এই চিঠির মাধ্যমে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল ২০০ মেট্রিক টন চাল। তবে ঈদের পর চিঠিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পৌঁছার কারণে মসজিদগুলো তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদের পর চিঠি পাওয়ায় এই চাল বিতরণ প্রক্রিয়া সম্ভব হয়নি। এটি মন্ত্রাণালয়কে অবগত করা হয়েছে।
আর উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শামসুন্নাহার শিউলী বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এই চাল বিতরণ প্রক্রিয়া নিয়ে পরবর্তী কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। নির্দেশনা না পাওয়া গেলে চালগুলো বিতরণ সম্ভব নয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ১০০টি মসজিদের বিপরীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এই বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়।
প্রতিটি মসজিদে পবিত্র রমজানে মুসল্লিদের ইফতার মাহফিলের জন্য দুই টন করে চাল বরাদ্দ ছিল। মন্ত্রণালয় থেকে গত ২০ জুন তাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের চিঠি পাঠানো হয়।
এরপর ২২ জুন জেলা প্রশাসকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে সেই চিঠি রাষ্ট্রীয় ডাকে পাঠানো হয় শেরপুর ইউএনও কার্যালয়ে। সেটি ৬দিন দেরি করে পৌঁছেছে ২৮ জুন।
এ ব্যাপারে বগুড়া জেলা প্রশাসকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।
বগুড়া ডাকঘরের মাস্টার ইশরাত জাহানারা জানান, ছুটির দিন ছাড়া চিঠি দেরি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। হয়তো চিঠিতে পোস্ট করার পর সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। এ কারণে সেটি প্রদান করতে দেরি হয়েছে। তবে তারপরও এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে।
লিমন বাসার/এএম/পিআর