দেশজুড়ে

দ্রুতগতিতেই চলছে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ

দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ। ইতোমধ্যে জমি অধিগ্রহণ ও ভূমি উন্নয়ন কাজ শেষ করে মূল প্লান্টের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।

২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের ১৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এই গতিতে কাজ চলমান থাকলে নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে মনে করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেড যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করলেও চীনা প্রকৌশলীরা সরাসরি পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করছেন। প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপের কাজ শেষ করে এখন চলছে মূল প্লান্টের নির্মাণ কাজ। ইতোমধ্যে মূল বয়লার, ইএসপি, এফডিএফ এবং আইডিএফ ফ্যানের ফাউন্ডেশন কাজ শেষ হয়েছে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে সাগর পথে কয়লা পরিবহনসহ প্রয়োজনীয় মালামাল ওঠানামা করার জন্য ইতোমধ্যে অস্থায়ী জেটি নির্মাণ কাজ শেষ করে তা ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় মালপত্র ওই জেটিতেই নামানো হচ্ছে। আর প্লান্টের নিরাপত্তার জন্য সুউচ্চ বাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

সীমান প্রাচীর নির্মাণের কাজ ৬০ শতাংশ শেষ হয়েছে বাকি কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এছাড়া প্লান্টের অভ্যন্তরীণ সড়ক উন্নয়নের কাজও নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী শেষ হবে বলে জানান তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকৌশলীরা।

পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প সহকারী প্রকৌশলী জর্জিস তালুকদার জানান, প্রকল্পের অগ্রগতি যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করে উৎপাদনে যাওয়া যাবে।

এদিকে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এ দুটি ইউনিট নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১.৫২ বিলিয়ন ডলার। আর ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকিউরমেন্ট সিন্টেম) নির্মাণে ব্যয় হবে ১.৬৭ বিলিয়ন ডলার।

২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল প্রথম ইউনিটের নির্মাণ কাজ শেষ হবে এবং একই বছরের ৩১ অক্টোবর শেষ হবে ২য় ইউনিটের নির্মাণ কাজ।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এমএএস/জেআইএম