দেশজুড়ে

সেনবাগে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ২৫

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষে পুলিশসহ ২৫ জন আহত হয়েছেন। এসময় দোকানপাট ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটেরও ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সোনাইমুড়ি ও সেনবাগ দুই থানার পুলিশ ৪৫ রাউন্ড গুলি নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তোজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ছাতার পাইয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, পুলিশের এএসআই সাইফুল ও সাইদুর, আজাদ, রুবেল, শেখ ফরিদ, জালাল, কামরুল, ছালাউদ্দিন, জাহাঙ্গীর, রুবেল, সজিব, জাকের, খলিল, আজীম, দেলোয়ার, হাশেম, শাকিল ও আবুল খায়ের। আহতদের মধ্য গুরুত্ব আহত মামুনকে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহতদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে ছাত্তারপাইয়া বাজারে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, ছাতার পাইয়া ইউনিয়নে সোনাকান্দি গ্রামের প্রবাসী ফেরৎ আলী আহম্মদ ইমারত নির্মাণের সময় ছাতার পাইয়া পশ্চিম পাড়ার ফয়েজ, সোহেল, জালাল ও তবারক উল্যার নেতৃত্বে ১০/১৫ জনের একদল সন্ত্রাসী বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র নিয়ে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাতারপাইয়া বাজারে তারা হামলা ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালায়।

স্থানীয় চেয়ারম্যান আবদুর রহমান জানান, প্রবাসীর বাড়িতে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে দু’গ্রামবাসী মধ্য এ সংঘষের্র ঘটনা ঘটে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে সেনবাগ থানা পুলিশের পরির্দশক (ওসি) হারুনুর রশিদ জাগো নিউজ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্ততি চলছে।

মিজানুর রহমান/ এমএএস/পিআর