জঙ্গি আস্তানার খোঁজে নির্দিষ্ট এলাকা চিহ্নিত করে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে আবারও অভিযান শুরু করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শনিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে এ অভিযান শুরু করেছেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), জেলা পুলিশ লাইনের পুলিশ ও সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশের প্রায় ৬০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য।
অভিযানে মামলার সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং চিহ্নিত জুয়াড়িসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল ফারুকের নেতৃত্বে চরবেষ্টিত সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা ও হরিপুর ইউনিয়নের চরগুলোতে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
গাইবান্ধার সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) মো. আসাদুজ্জামান রিংকু বলেন, রাত ৩টায় আমাদের এই অভিযান শুরু হয়। উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। এতে সাজাপ্রাপ্ত, ওয়ারেন্টভুক্ত ও চিহ্নিত জুয়াড়িসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মো. মইনুল হক বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতার, নৌ ডাকাতি প্রতিরোধ, জঙ্গিদের তৎপরতা ও নাশকতা প্রতিরোধ এবং মানুষকে সচেতন করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযানে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল ফারুক, সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) মো. আসাদুজ্জামান রিংকু ও সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আতিয়ার রহমানসহ পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যরা অংশ নিয়েছেন।
এর আগে গত বুধবার গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ও মোল্লারচর ইউনিয়নের কযেকটি চরে অভিযান চালিয়ে একজন ডাকাতকে আটক করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি, ফুলছড়ি ও ফজলুপুর ইউনিয়ন এবং গতকাল শনিবার সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলগুলোর বিভিন্ন চরে অভিযান চালিয়ে কিছুই পায়নি পুলিশ।
রওশন আলম পাপুল/আরএআর/এমএস