দেশজুড়ে

নীলফামারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

নীলফামারীর ডিমলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। তিস্তার পাড়ের দুই হাজার ৫শ পরিবারের মাঝে বুধবার এসব ত্রাণ বিতরণ করা হয়। পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নে তিস্তার বাঁধে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম।

এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয়ের উপ-সচিব আমিনুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তবিবুল ইসলাম, ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম, নীলফামারী জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এটিএম আক্তারুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন, পূর্ব ছাতনাই ইউপির চেয়ারম্যান প্রভাষক আব্দুল লতিফ খান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফেরদৌস আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

ডিমলা উপজেলা পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ৭০০, খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের ২৫০, গয়াবাড়ী ইউনিয়নে ২০০, খালিশা চাপানি ৬০০, টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নে ২৫০ ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ৫০০ পরিবারের মাঝে ২০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।  এ সময় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৭০ হাজার টাকার শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মুড়ি, চিরা, গুড়, দিয়াশলাই, মোমবাতি ও ডাল।

নীলফামারীর জেলা প্রশাসক খালেদ রহীম জাগো নিউজকে বলেন, উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পাড়ে বন্যা দেখা হয়েছে। উজানের ঢল নেমে যাওয়ার কারণে পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে নেমে আসায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। জেলা প্রশাসন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের বিষয়ে সার্বিক নজরদারি করছে। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয়ের উপ-সচিব আমিনুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, তিস্তার পাড়ের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে সরকারিভাবে ত্রাণ দেয়া হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া-তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বুধবার সকাল থেকে পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিকেল ৩টায় বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

জাহেদুল ইসলাম/আরএআর/আরআইপি