ঠাকুরগাঁওয়ে ভুল চিকিৎসায় ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহরের হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতাল নামে একটি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভুল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের মেয়ে।
শিশুটির অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে। পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে নার্সরা সঠিকভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে।
এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিককর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।
অপরদিকে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন।
পরে তাৎক্ষণিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।
পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা. নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখে যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।
হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক মানিক হোসেন জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।
রবিউল এহসান রিপন/এমএএস/আরআইপি