গাজীপুরে গ্রেফতারকৃত আইএসআই সদস্য খালিদ মেহমুদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।গাজীপুর আদালতের ইন্সপেক্টর মো. রবিউল ইসলাম জানান, পুলিশ দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে খালিদ মেহমুদকে বৃহস্পতিবার গাজীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। পরে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক এলিনা আক্তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।উল্লেখ, গত রোববার সন্ধ্যায় গাজীপুরের শ্রীপুরের ভাংনাহাটি এলাকার ইউনিলাইন্স টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানা থেকে পাকিস্তানি নাগরিক ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র সদস্য খালিদ মেহমুদকে আটক করা হয়।পাকিস্তানের নাগরিক খালিদ মেহমুদ গাজীপুরের শ্রীপুরের ভাংনাহাটি এলাকার ইউনিলাইন্স টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানায় গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার হিবেবে চাকরি করে আসছিলেন। তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি মাসের ৬ তারিখ। তার বাবার নাম মো. আরশাদ। সাং-২৬০/বি, মিল্লাত টাউন, ফয়সালাবাদ, পাকিস্থান। তার পাকিস্থানি নাগরিকত্ব আইডি নং ৬১১০১-১৭৬৭৭২৪-৩, পার্সপোর্ট নং- ইএফ ০১৫৭২৪২। খালিদ মেহমুদ পূর্বে পাকিস্তান বিমান বাহীনিতে কর্মরত থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বেইজ স্থাপনা এবং রাডার টেকনোলজির উপর উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন।এ ঘটনার পরদিন সোমবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ জানান, ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পরও ভাংনাহাটির ওই ফ্যাক্টরিতে পাকিস্থানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র এজেন্ট হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে পৃষ্ঠ পোষকতার মাধ্যমে গার্মেন্ট সেক্টরে অস্থিতিশিলতা সৃষ্টি ও স্বর্ণ চোরাচালানসহ বাংলাদেশ বিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার সন্ধ্যায় খালিদ মেহমুদকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য ছিল তিনি গাজীপুরে অবস্থান করে বিভিন্ন ধরনের অপতৎপরতা চালাচ্ছেন, গার্মেন্ট সেক্টরকে অশান্ত করার জন্য লিপ্ত রয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি আইএসআইয়ের সদস্য স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সুপার জানিয়েছিলেন।আমিনুল ইসলাম/এমএএস/আরআইপি