দেশজুড়ে

আমদানির ৫৫ হাজার টন চাল নিয়ে চট্টগ্রামে ২ জাহাজ

ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা আরও ৫৫ হাজার টন চাল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে।

এ নিয়ে এখন পর্যন্ত পাঁচটি জাহাজে ভিয়েতনাম থেকে মোট এক লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টন চাল বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছেছে।

গত ৩১ জুলাই ২৫ হাজার টন চাল নিয়ে ‘এশিয়া এনার্জি’ এবং ২ জুলাই ৩০ হাজার টন চাল নিয়ে বহির্নোঙরে পৌঁছে ‘কনস্টানটিন’ জাহাজ।

এরআগে আনা তিনটি জাহাজে করে ৬৮ হাজার টন চাল আনা হয়। চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে ভেড়ানো বর্তমানে ওই তিন জাহাজ ‘ভিসাই ভিসিটি ০৫’, ‘প্যাক্স’ ও ‘বিএমসি ক্যাথারিন’ থেকে চাল খালাস চলছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ সরকারি চাল খালাসে দুটি জেটি বরাদ্দ দেওয়ায় চাল খালাসের জন্য এখন জাহাজকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় না।

এ বিষয়ে চাল সরবরাহকারী বিদেশি সংস্থার দেশীয় শিপিং এজেন্ট ইউনি শিপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন জানিয়েছেন, পাঁচটি জাহাজে করে মোট এক লাখ ২৩ হাজার টনের মতো চাল আনা হয়েছে। এছাড়া ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে আরও কয়েকটি জাহাজে চাল তোলা হচ্ছে।

জানা গেছে, গত কয়েকমাসে দেশে চালের মজুদ তলানিতে পৌঁছার পর সরকার চালের বাজার স্থিতিশীল করতে উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে ৯০৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ভিয়েতনাম থেকে আড়াই লাখ টন চাল আমদানি শুরু হয়। প্রতি টন ৪৭০ ডলার দরে ৫০ টন সিদ্ধ চাল কিনতে খরচ হচ্ছে ১৯৫ কোটি পাঁচ লাখ টাকা। এছাড়া ৪৩০ ডলার দরে দুই লাখ টন আতপ চাল আমদানিতে খরচ পড়ছে ৭১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

ভিয়েতনামের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘ভিনাফুড টু’ আমদানিকৃত চালের ৬০ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এবং বাকি ৪০ শতাংশ মোংলা বন্দর দিয়ে সরবরাহ করবে।

এসআর/এমএস